খবর লাইভ : করোনা আটকাতে পারে একমাত্র সচেতনতা আর মাস্ক। কিন্তু এই দুটোতেই বেজায় অনীহা প্রায় সবার। এই অবস্থায় জরিমানা করে মাস্ক পড়ানোর পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র।
করোনার শুরু থেকেই মাস্ক ব্যবহারের কথা বলে আসছে সরকার। কিন্তু তাতে কোনওরকম কেয়ার করছে না সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় এখনও কোনও কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়নি কেন্দ্র। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক ভাবছে, নতুন কোনও নির্দেশিকা জারি করে মাস্কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের সঙ্গে জরিমানার বিষয়টিকেও যোগ করা যায় কিনা।
সরকারি সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা আলোচনা করেছেন আইন মন্ত্রকের আমলারা। মাস্কের ব্যবহার নিয়ে একমত হলেও, জরিমানা ধার্য করতে গিয়ে মতানৈক্য দেখা দিয়েছে দুই মন্ত্রকের মধ্যে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক চাইছে, প্রয়োজনে জরিমানা করেও মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হোক। অন্যদিকে আইন মন্ত্রকের শীর্ষস্থানীয় আমলারা ভাবছেন, একবার জরিমানার নির্দেশিকা জারি হলে স্থানীয় স্তরে পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে জনসাধারণের ঝামেলা বেঁধে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। দুই মন্ত্রকের এই পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তর জেরে জরিমানা ধার্য করার বিষয়ে ‘ধীরে চলো’ নীতি নিয়ে এগোচ্ছে কেন্দ্র।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার কী ভাবছে? রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, এই রাজ্যে প্রথম থেকেই বিপর্যয় মোকাবিলা আইন জারি রয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জরিমানা করার পথে আমরা যায়নি। এখন কেন্দ্র জরিমানার জন্য নতুন আইনের কথা ভাবছে কিনা, তা আমাদের জানা নেই।




