খবর লাইভ : তাঁর জেদ মানে জেদই। কমিশনের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, আজ রাত আটটা পর্যন্ত প্রচার করতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই রাত আটটার পরই দুটি সভা করবেন তৃণমূল নেত্রী। প্রথমটি বারাসাতে, পরেরটি বিধাননগরে। আর এরপর বুধবার থেকে উত্তরবঙ্গে প্রচারে রীতিমতো ঝড় তুলবেন তিনি।
বুধবার উত্তরবঙ্গ সফরের প্রথমেই পা রাখবেন মাথাভাঙায়। ভোট চতুর্থীতে শীতলকুচিকাণ্ডে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকায়ও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। বাহিনীর গুলিতে চার জনের মৃত্যুর পরই সমস্ত রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের প্রবেশ ৭২ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করেছিল নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে প্রবল ক্ষুব্ধ হন মমতা। ভিডিয়ো কলে কথা বলেন মৃতদেহ পরিবারের সঙ্গে। সেই সময়ই জানান, নিষেধাজ্ঞা উঠলেই মাথাভাঙায় যাবেন তিনি। কথা রাখলেন মমতা। বুধবার সকাল ১০টায় তিনি প্রথমে যাবেন মাথাভাঙা সাব ডিভিশন হাসপাতালে। আহতরা বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ওই হাসপাতালেই। তবে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
উত্তরবঙ্গে চারটি ও নদিয়ায় একটি জনসভা করবেন মমতা। একদিনে মোট ৫টি জনসভা, যা রীতিমতো নজিরবিহীন। বুধবার মাথাভাঙার আহতদের সঙ্গে দেখা করেই তিনি হেলিকপ্টরে উড়ে যাবেন জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী মিতালি রায়ের সমর্থনে সভা করবেন তৃণমূল নেত্রী। এরপরই জলপাইগুড়ি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপকুমার বর্মনের জন্য সভা করার কথা তাঁর। সেখান থেকেই তৃণমূল নেত্রী যাবেন ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায়। রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের সমর্থনে সেখানে সভা করবেন মমতা। এরপর দার্জিলিং জেলা (সমতল)-এর বিধানসভা কেন্দ্র মাটিগাড়া নকশালবাড়িতে তৃণমূল প্রার্থী রাজেন সুনদাসের জন্য সভা করেই তিনি চলে আসবেন নদিয়ার হরিণঘাটায়। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী নীলিমা নাগ মল্লিকের সমর্থনে জনসভা করে বুধবারের প্রচার কর্মসূচি শেষ করবেন তৃণমূল নেত্রী।




