খবর লাইভ : এসএসকেএম-এ গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । নন্দীগ্রামে ভোট হিংসার জেরে আহত তৃণমূল কর্মীদের দেখতে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালেই আহতদের হাতে আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা থেকে মনোনয়ন পর্ব, ভোটের দিন এবং ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে ক্রমাগত বেড়ে চলা হিংসাকাণ্ডে এখনও যবনিকা পড়েনি। রাজ্যের জেলায় জেলায় এখনও আসছে হিংসার খবর। দুই ২৪ পরগনা-সহ বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, মেদিনীপুর কোথাও যায়নি বাদ এই হিংসা থেকে। ভোট সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল কর্মীরা।
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা জানেন হিংসাকাণ্ডে ম্যাক্সিমাম আমাদের ছেলেরা মারা গিয়েছে। এবং আমি যেটা দেখতে এসেছিলাম, নন্দীগ্রাম এবং খেঁজুরিতে , যে অত্যাচার করা হয়েছে, বৌ-ছেলে-মেয়ে সমেত বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। বার্ণ ইউনিটে রয়েছে। প্রি পোল ও পোস্ট পোল ভায়োলেন্স বা ইলেকশন ডেটে যারা মারা গিয়েছে, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা করে দিচ্ছি এবং একটা করে চাকরি দিচ্ছি।আর যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন , তাঁদের আমরা ৫০ হাজার টাকা করে দিচ্ছি।.. চাকরিটাও রেডি হয়ে গেছে, দিয়ে দেব আমরা।’
বিরোধী দলগুলির কর্মীদেরও আহত সংখ্যা কম নয়। একের পর এক পরিবার তাঁদের প্রিয়জন হারিয়েছেন। সম্প্রতি হাওড়া গিয়ে, আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি চলে যাওয়ার পর যে কী হবে, এ নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেছিলেন,’এ নিয়ে আমি আদালতে আবেদন করব’। এখানেই শেষ নয়, এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে একটি গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন তিনি। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর কথা তুলে তিনি বলেছিলেন, ‘মুচেলিকা দিতে হয়েছে, যতদিন আমরা বাঁচব ততদিন বিজেপি করা যাবে না। এ কী অসভ্য বর্বর দেশে আমরা বসবাস করি ! ‘
এরপর যাবতীয় হিংসাকাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ি করেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপালের পিসরুমে জমা পড়া সাড়ে ৭ হাজার অভিযোগের কোনও সুরাহা হয়নি বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি ওইদিন উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে, গিয়ে সুকান্ত বলেন, ‘চুরিতে যদি কেউ নোবেল পেতে পারেন, তা হলে সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’




