খবর লাইভ: নির্বাচনী প্রচারে ‘উস্কানিমূলক’ মন্তব্যের জেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন ৷ এই নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ৷ ধর্নায় বসেন তৃণমূল নেত্রী নিজেও ৷ কমিশনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশের বিভিন্ন অংশের বেশ কয়েকজন মোদি ও বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক নেতাও ৷
সেই তালিকায় রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব, ডিএমকে নেতা স্ট্যালিন ও শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের মতো বেশ কিছু তাবড় রাজনীতিবিদ৷ প্রত্যেকেই টুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার কথা বলেছেন৷ একই সঙ্গে বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনায় সরব হয়েছেন৷
মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর ধর্নার একটি ছবি পোস্ট করে অখিলেশ লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা আসলে ভোটে হারতে থাকা বিজেপির হতাশার প্রকাশ।’ সমাজবাদী পার্টি যে মমতার ধর্নার পাশে রয়েছে, সেটাও তিনি জানিয়েছেন৷ একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ‘আশা করব ‘শ্মশান-কবরস্থান’ নিয়ে যাঁরা ধর্মীয় ভাগাভাগি করার কথা বলে নির্বাচন কমিশন তাঁদের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করবে।’ অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে শিবসেনার সঞ্জয় রাউত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘বাংলার বাঘিনী’ বলে উল্লেখ করেছেন ৷ বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ৷ তিনি দাবি করেছেন, ‘এটা ভারতের কোনও স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্বের উপর আক্রমণ।’
২০১৪ সালে কেন্দ্রের মসনদে নরেন্দ্র মোদি বসার পর থেকে অনেক আঞ্চলিক দলই এক মঞ্চে এসেছেন ৷ বিভিন্ন সময় তাদের এক সঙ্গে মোদি সরকারের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে ৷ সেই তালিকায় রয়েছে ডিএমকেও৷ এদিন ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিনও মমতার সমর্থনে ট্যুইট করেছেন ৷
‘আমাদের গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপর নির্ভর করে । পক্ষপাতহীনতা ও নিরেপক্ষতা বজায় রাখতে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে সব দল ও প্রার্থীদের সঙ্গে সমান ব্যবহার করা উচিত।’




