State

এনআরসি হলেও গোর্খাদের না তাড়ানোর আশ্বাস পাতাল থেকে খুঁজে আনা হবে তৃণমূলের গুণ্ডাদের, শাহি হুঙ্কার

0
(0)

খবর লাইভ : আগামী ২ মে’র পরে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে তৃণমূল গুণ্ডাদের পাতাল থেকে খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে বলে সোমবার হুঙ্কার ছাড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নির্বিচারে গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে ফের নিজের অধীনস্ত বাহিনীকে ক্লিনচিট দিয়ে ‘গণহত্যার’দায় তযৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে চাপিয়েছেন তিনি। অমিতের কথায়, ‘দিদির প্ররোচনাতেই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে।’
এদিন দলীয় প্রার্থীদের হয়ে কালিম্পং, ধূপগুড়ি ও হেমতাবাদে নির্বাচনী জনসভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হেমতাবাদের সভায় তিনি বলেন, ‘আজকের সভায় যে ভিড় হয়েছে, তাতেই পরিস্কার ২ মে দিদি বাংলার কুর্সি থেকে বিদায় নিচ্ছেন। আপনাদের বলছি, মোদিজিকে পাঁচ বছর সময় দিন। পিছিয়ে পড়া বাংলাকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবেন তিনি। কেননা মোদিজি গরিবের কথা ভাবেন। আর দিদি শুধুমাত্র নিজের ভাইপোর কথা ভাবেন।’ এর পরেই হুঙ্কার ছুঁড়ে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের গুণ্ডারা কান খুলে শুনুন ২ তারিখে দিদি চলে যাবে, তার পর পাতালে ঢুকলেও খুঁজে জেলে ঢোকাব।’
হেমতাবাদের সভার আগে কালিম্পংয়ের সভা থেকে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি নিয়ে গোর্খাদের ভীত না হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গোর্খাদের মনজয় করতে তিনি বলেন, ‘গোটা দেশ গোর্খাদের বীরত্বের কথা জানে। বীরত্বকে কুর্ণিশ জানায়। এখানে প্রচার করা হচ্ছে, এনআরসি এলে গোর্খাদের তাড়ানো হবে। যাঁরা এই অপপ্রচার করছেন, তাঁরা আসলে গোর্খাদের বন্ধু নয়। স্পষ্ট ভাষঢাায় বলছি এনআরসি এখনও আসেনি। আর এনআরসি এলেও একজন গোর্খাকে তাড়ানো হবে না।’
ধূপগুড়ির সভা থেকে অবশ্য প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে দিয়েছেন অমিত। বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক উড়ানের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে এইমস গড়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু উত্তরবঙ্গের কোথায় এইমস গড়া হবে তা নিয়ে টুঁ শব্দটি করেননি তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব অবশ্য অমিতের প্রতিশ্রুতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব কটাক্ষের সুরে বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তরবঙ্গে যেখানে যেখানে জনসভা করছেন সেখানেই এইমস গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এইমস যে কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নয়, তা ভুলে গিয়েছেন তিনি। আসলে মানুষ ওদের ভাঁওতাবাজি ধরে ফেলেছে এটা বুঝতে পেরেছেন। তাই কীভাবে মানুষের মন পাবেন, তা বুঝতে পারছেন না।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *