খবর লাইভ : চতুর্থ দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু চারজনের। শীতলকুচির ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে নিশানা করেছেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শীতলকুচির ১২৬নং বুথে ভোটদান স্থগিত রাখা হয়। আগামিকাল ব্লকে ব্লকে প্রতিবাদ মিছিলের পাশাপাশি শীতলকুচিতে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভোট শুরু হতেই হিংসা শুরু। সকাল থেকেই ঝরল রক্ত। শীতলকুচির জোড়পাটকিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান চারজন। মৃতদের নাম হামিদুল হক, সামিয়ুল হক, মনিরুল হক, নুর আলম। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে আরও এক ব্যক্তির। শেষের মৃত ব্যক্তিকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি বিজেপির।
শীতলকুচি বিধানসভা আসনের জোড় পাটকিতে ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে গুলি চালনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা সম্পর্কে সিআরপিএফ জানিয়েছে, ওই বুথে তাদের কোনও জওয়ান মোতায়েন ছিলেন না। এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবে তারা যুক্ত নয়। অন্যদিকে কমিশন জানিয়েছে, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ। বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক রিপোর্টে উল্লেখ করেন, ‘কেউ রটিয়ে দেন সিআরপিএফ গুলি চালিয়ে একজনকে মেরে ফেলেছে। এই খবর চাউর হতেই বাহিনীর ওপর হামলা হয়। বাহিনীর রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় বাহিনী।’ একই দাবি করেছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ট্যুইটারে লেখেন, ‘স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে আপনারা হারাতে পারছেন না। গুলি করে খুন করতে হচ্ছে। মোদি-শাহ আপনারা হত্যাকারী। আপনাদের নির্দেশেই ডিজি, এডিজি এবং ওই জেলার পুলিশ সুপার বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আপনাদের দুজনের হাতে রক্ত লেগে। এতে অবশ্য আপনারা অভ্যস্ত।’ ঘটনার নিন্দা করে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটারে লেখেন, এভাবে মোদি-শাহরা সোনার বাংলা গড়বেন?
অমিত শাহের নির্দেশে গুলি চালায় বাহিনী। অমিত শাহর পদত্যাগ করা উচিত বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।




