খবর লাইভ : মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি ছত্তিশগড়। সুকমা এবং বিজাপুর জেলার সীমানায় অবস্থিত গোটা এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে মাওবাদী নেতা হিদমা। এর আগেও হয়েছে প্রাণঘাতী হামলা। এক নজরে দেখব কোন বছর কতজন জওয়ান শহিদ হয়েছেন মাও হামলায়।
ফিরে দেখা
২০০৯ সাল: ছত্তিশগড়ের রাজনন্দগাঁওয়ে মাওবাদী হানায় শহিদ হন ২৯ জন পুলিশ কর্মী।
২০১০ সাল: দান্তেওয়াড়ায় আধা সামরিক বাহিনীর কনভয়ে মাওবাদী হামলা। নিহত ৭৫ জন জওয়ান ও এক পুলিশ কনস্টেবল।
২০১৩ সাল: ছত্তিশগড়ের দরভাতে কংগ্রেস নেতাদের কনভয়ে মাওবাদী হামলা। নিহত ২৫ জন কংগ্রেস নেতা।
২০১৭ সাল : সুকমায় মাওবাদী হামলায় প্রাণ শহিদ সিআরপিএফের ২৫ জন জওয়ান।
২০২০ সাল: ছত্তিশগড়ের সুকমায় মাওবাদী দমন অভিযানে নিহত ১৭ জন জওয়ান।
শুধু ছত্তিশগড়ই নয়, মাওবাদী হামলা হয় মহারাষ্ট্র, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গেও। ২০১০ এ পশ্চিমবঙ্গে আধা সামরিক বাহিনীর শিলদা ক্যাম্পে মাওবাদী হানায় শহিদ হয়েছিলেন ২৪ জন জওয়ান।
২০০৯ সালে মহারাষ্ট্রের গরচিরৌলিতে মাওবাদী হামলায় শহিদ হন ১৭ জন পুলিশকর্মী।
২০০৮ সালে ওড়িশার মালকানগিরিতে ল্যান্ড মাইন বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা। প্রাণ হারান ২১ জন পুলিশকর্মী।




