খবর লাইভ : প্রত্যেক মাসে ৩৫-৪০ কোটি পাঠাতেন লালা। তারপর সেই টাকা পুলিশ শান্তিনিকেতনে (অভিষেকের বাড়ি) পৌঁছে দিত। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
ভোটবঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ। সেই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যে শাসকদলের অস্বস্তি বাড়াচ্ছে কয়লাকাণ্ড ও গরু পাচার কাণ্ড। কয়লাকাণ্ডে একযোগে তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দু-দীনেশ ত্রিবেদীর। শুভেন্দুর অভিযোগ, গত ১০ বছরের ‘সবচেয়ে বড় স্ক্যাম’ এই কয়লাকাণ্ড। স্ক্যামে মোট ‘৯০০ কোটি টাকা’র দুর্নীতি হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এদিন আর ‘ভাইপো’ বলে নয়। সরাসরি নাম করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ‘প্রথমের দিকে প্রতি মাসে ১২-১৫ কোটি টাকা, পরবর্তীকালে প্রতি মাসে ৩৫-৪০ কোটি টাকা দিতেন অনুপ মাজি ওরফে লালা। এরপর সেই টাকা পুলিশি পাহারায় পৌঁছে যেত শান্তিনিকেতনে।’ এভাবে মোট ৯০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি শুভেন্দুর।
এখানেই থামেননি শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল যুবর ৮ জন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। যার মধ্যে সাত নম্বরে নাম ছিল বিনয় মিশ্রর। তাঁর ভাই গ্রেফতার হয়েছে এবং তিনি নিজে এখন ফেরার। এই বিনয় মিশ্রর সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারে না তৃণমূল।’ এই ৯০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের নেতৃত্বে। এমনও এদিন অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।




