খবর লাইভ : চার মাস পেরিয়ে পাঁচ মাসে পড়েছে কৃষক আন্দোলন। আন্দোলনের ঝাঁজ আগের মতন নেই, মেনে নিচ্ছেন কৃষক নেতারাই। তাই আন্দোলনকে ফের চাঙ্গা করতে বৈঠকে বসছে কৃষি নেতৃত্ব। আন্দোলনের রণকৌশল ঠিক করতে আগামী ৫ ও ৬ তারিখ বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট। সমস্ত মিডিয়ার ফোকাস এখন সেই দিকেই। কোনও সংবাদমাধ্যমেই এখন আর তুলে ধরা হচ্ছে না কৃষক আন্দোলনের কথা। একদিকে ৩০৩ জন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে নিজেদের অবস্থানে অনড় মোদি সরকার। এই পরিস্থিতিতে কৃষি আন্দোলনের রণকৌশল তৈরি করতে ফের বৈঠকে বসতে চলেছেন কৃষি নেতৃত্ব। সারা ভারত কিষান সভার নেতা তথা প্রবীণ প্রাক্তন সাংসদ হান্নান মোল্লা বলেন, “বড় আন্দোলনকে দীর্ঘদিন সঙ্ঘবদ্ধ রাখতে হলে, দরকার লাগাতার কর্মসূচি গ্রহণ করা। যেখানে আন্দোলনের শরিকরা সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তা না হলে তাদের মধ্যে উৎসাহের ঘাটতি দেখা দেবে।”
কৃষক নেতারা মনে করেছিল, সংসদের বাইরে ও ভেতরে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি কৃষকদের দুরবস্থা নিয়ে সরব হবে। কার্যক্ষেত্রে তা হয়নি। যেহেতু এটা কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত অরাজনৈতিক একটি আন্দোলন, সেহেতু রাজনৈতিক নেতাদের বাড়তি নজর কাড়তে পারেনি। এখানে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন কৃষক নেতারা। তাদের পরবর্তী বৈঠকে আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে কোন কর্মসূচি নেবেন তারা, সেদিকে নজর আম আদমির।




