খবর লাইভ : লকডাউন এর পথে হাঁটতে চলেছে ফ্রান্স। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে টেলিভিশনের এমনই জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। দেশের কিছু অংশে বিচ্ছিন্নভাবে যেসব পোড়া বিধি নিষেধ চালু ছিল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গোটা দেশের জন্য সেগুলো প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট।
করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে জার্মানিতে আলো করা লকডাউন নিয়ে রাজনৈতিক তর্ক বিতর্ক তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে কমপক্ষে এক মাসের জন্য কড়া লক ডাউনের সিদ্ধান্ত নিল সে দেশের সরকার। ম্যাঁক্রো বলেন, মহামারীর প্রত্যেকটি পর্যায়ে আমি তো ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রত্যেক বার ভুল শুধরে নেওয়া হয়েছে। এখনই কি লকডাউন এর সিদ্ধান্ত না নিলে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
পাইলস এর প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে সাপ্তাহিক গড় সংক্রমণের হার প্রায় ৩৭৫ ছুঁয়েছে। দিনে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে লকডাউনের সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ফ্রান্সের করোনা মহামারীতে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনো পর্যন্ত ফ্রান্সে ১২ শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাকি দেশগুলোর মত মন্থর গতিতে এগোচ্ছে ফ্রান্সের টিকাকরণ কর্মসূচি। পৃথিবীতে যথেষ্ট সংখ্যায় স্টিকার সরবরাহে ঘাটতির পাশাপাশি দেশের আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেও দায়ী করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো টিকাদান কর্মসূচিতে গতি আনার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ৬০ বেশি বয়সের মানুষদের এবং তার এক মাস পর ৫০ এর বেশি মানুষদের টিকা দেওয়া হবে। কড়া লকডাউন ও দ্রুত টিকাকরণ এর ফলে মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ধাপে ধাপে কড়াকড়ি শিথিল করা হবে। এমনই আশা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট।




