খবর লাইভ: তিনি নিয়তি মাহাত। এতদিন পিকচারে না থাকলেও, আপাতত খবরের শিরোনামে ছত্রধরের স্ত্রী। তাঁকে প্রার্থী না করায় নাকি গোঁসা হয়েছে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধরের! তাঁকে ঠান্ডা করতে নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছেন তৃণমূলের জঙ্গলমহলের নেতারা। তিনি ‘সক্রিয়’ হলেও জঙ্গলমহলে ঘাসফুলের জয় কতটা অনায়াস হবে, তা নিয়ে সন্দিহান তৃণমূল নেতৃত্বেরই একটা বড় অংশ।
ছত্রধরকে টিকিট না দেওয়ায়, স্ত্রী নিয়তির জন্য দরবার করেছিলেন জন সাধারণের কমিটির এই প্রাক্তনী। তবে নিয়তিকে টিকিট না দেওয়ায় ছত্রধর মন:ক্ষুন্ন হয়েছেন বলে সূত্রের খবর।
জঙ্গলমহলের 12টি আসনে কুর্মি ভোট একটা ফ্যাক্টর। প্রায় 25 শতাংশ ভোট রয়েছে এই জনগোষ্ঠীর। সেই ভোটের পুরোটাই যাতে ঘাসফুলে পড়ে, সেই জন্যই ছত্রধরকে নিয়ে পড়েছেন তৃণমূল নেতারা।
তবে সক্রিয় হলেও, কুর্মি সম্প্রদায়ের কতটা ভোট ছত্রধর টানতে পারবেন, সে নিয়ে সন্দিহান রাজনীতির কারবারিরা। এর প্রথম কারণ যদি হয় জঙ্গলের রুখু মাটিতে পদ্মের মাথা তোলা, তাহলে দ্বিতীয় কারণ অবশ্যই ছত্রধরের ‘আখের গুছিয়ে’ নেওয়া! এই দ্বিতীয় কারণটির প্রবল প্রভাবে কুর্মিরা আলাদা প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছেন। আর যদি সত্যিই কুর্মিরা আলাদা প্রার্থী দেন, তাহলে তৃণমূলের যে সাড়ে সর্বনাশ, আড়ালে তা মানছেন ঘাসফুল শিবিরেরই একাংশ। কারণ সে ক্ষেত্রে ভোট কাটাকুটির খেলায় আদতে বোনাস মার্ক পেয়ে আইস-ওয়াক করে হাসতে হাসতে বেরিয়ে যাবেন বিজেপি প্রার্থীরা। তাই ‘নিয়তি’র ‘খেলা’য় কার কপাল খোলে, আর কার ভাগ্যই বা পাথর চাপা থাকে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে 2 মে পর্যন্ত। কারণ সেদিনই ফল বেরোবে ভাগ্য গণনার।


