খবর লাইভ : গেল বার তিনি ছিলেন বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী। শিবির বদলে এবার তিনি তৃণমূলে। পুরস্কার স্বরূপ জুটেছে বিধানসভার টিকিটও। তার পরেও স্বস্তিতে নেই দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস। লড়াই যে কঠিন, আবডালে তা স্বীকারও করছেন তিনি। তবে দলনেত্রীর আশীর্বাদে জয় আসবেই, দাবি গৌতম ঘনিষ্ঠদের।
পাঁচ বছর আগের বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী ছিলেন গৌতম দাস। গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সেবার তিনি ভোট ভিক্ষে করেছিলেন কংগ্রেসের টিকিটে দাঁড়িয়ে। রণাঙ্গন রয়ে গিয়েছে একই। লড়াইয়ের ময়দানে এবারও রয়েছেন তিনি। তবে এবার তিনি লড়ছেন তৃণমূলের প্রতীকে।
গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে বিধানসভায় যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছিলেন গৌতম। পরে তৃণমূলের তৎকালীন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের হাত ধরে গৌতম হাতে তুলে নেন ঘাসফুল আঁকা ঝান্ডা। বছরখানেক আগে বিপ্লব বিজেপিতে ভিড়লে জেলা সভাপতির শিকে ছেঁড়ে গৌতমের কপালে। দল বদলের পুরস্কার হিসেবে এবার তাঁকে টিকিট দিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা।
তারপরেও খুব একটা স্বস্তিতে নেই গৌতম। কারণ দুটো। এক, জোটের প্রার্থী ছাড়াও এবার তাঁকে লড়তে হবে বিজেপির বিরুদ্ধে। গত লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে এই কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে প্রায় 22 হাজার ভোটে। প্রবল এই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইটা যে কিঞ্চিৎ কঠিন আড়ালে তা মানছেন গৌতম। আর দুই, বিজেপি ছেড়ে বিপ্লব ফিরে এসেছেন তাঁর পুরানো দলে। তাই বিপ্লবের অনুগামীরা তাঁকে ঠিক কতটা মেনে নেবেন, তা নিয়ে সংশয়ে খোদ স্থানীয় নেতৃত্ব।
এসব সত্ত্বেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী গৌতম। তিনি বলেন, “উন্নয়নের নিরিখেই আমরা জিতব”।
এখন দেখার, পুনর্ভবার পাড়ে ঘাসফুল না পদ্ম ফোটে?



