Special News Special Reports State

মাহেশের মন্দিরে এবার অপেক্ষা করছে নতুন চমক

0
(0)

খবর লাইভ : মাহেশের সুপ্রাচীন রথ দেখতে সকাল থেকেই ভক্ত সমাগম মাহেশজুড়ে। তিথি মেনেই দুপুরে জগন্নাথ দেবের রথের রশিতে টান পড়বে। আর তা ঘিরেই সকাল থেকে শুরু পুজার্চনা।

যে রথ জগন্নাথ মন্দির থেকে মাসির বাড়ি অবধি টেনে নিয়ে যাওয়া হবে তা তৈরি করেছিল মার্টিন বার্ন কোম্পানি। লোহার এই রথের উচ্চতা ৫০ ফুট, ওজন ১২৫ টন। এই রথে ১২টি লোহার চাকা আছে। প্রতিটির বেড় হল ১ ফুট করে। রথের একতলায় চৈতন্যলীলা, দ্বিতীয় তলে কৃষ্ণলীলা, তৃতীয় তলে রামলীলা চিত্রিত করা আছে।

চার তলায় বসানো হবে বিগ্রহদের। এই রথ চালু করা হয় ১৮৮৫ সালে। আজও সেই রথ নানা ইতিহাস, নানা ঐতিহ্য বহন করে চলে আসছে। প্রতি বছর রথের আগে রথের কাঠ বদলাতে হয়। এর জন্য খরচ পড়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা।

এতদিন শ্যামবাজারের বসু পরিবার এই খরচ বহন করত। বর্তমানে এই খরচ দেখভাল করবে রথ সংস্কার কমিটি। গোটা বছর জুড়ে তারা এই রথ রক্ষাণাবেক্ষণের বিষয়টি দেখে আসেন। মন্দিরের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শ মেনেই রথের কাঠ বদলানো হয়েছে। রোদ-জল থেকে যাতে রথের ক্ষতি না হয়, তাই শেড তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে একটা ছাউনি তৈরি করা হয়েছিল। তবে তা স্থায়ী হয়নি। এবার পাকাপোক্ত ছাউনি তৈরি করা হবে।

অন্যদিকে, রথযাত্রা উপলক্ষে এবার পুরীর আদলে মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরেও ধ্বজা লাগানো হবে। যাঁরা এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চান, তাঁদের নাম নেওয়া হচ্ছে অনলাইনে। বর্তমানে মাহেশের জগন্নাথ মন্দির সংস্কারের পরে নতুন করে সেজে উঠেছে। পর্যটন সার্কিটের আওতায় আনা হয়েছে৷ ফলে এই মন্দির দেখতে সারা বছর মানুষ আসেন এখানে। আর রথ উৎসব হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও ভক্তরা এসেছেন। সকাল থেকেই জমজমাট মাহেশের রথযাত্রা। ইতিহাসের সাক্ষী থাকতে হাজির ভক্তরা।

 

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *