Special News Special Reports State

ধুন্ধুমার কাণ্ড, শুভেন্দুকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ বিধানসভার অলিন্দে! কাঠগড়ায় পূর্বস্থলীর তৃণমূল বিধায়ক

0
(0)

খবর লাইভ : বুধবার বিধানসভায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। আর সেই কাণ্ডের কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনার সূত্রপাত অধিবেশনের মাঝ পর্বে। নারী নির্যাতন নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার দাবি তোলে বিজেপির পরিষদীয় দল। কিন্তু তা নাকচ করে দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়কেরা। সেই সময়েই বিধানসভার অলিন্দে শুভেন্দুর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন পূর্বস্থলীর তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বিরোধী দল নেতার দাবি, সেই বচসা চলার সময়েই তাঁকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে হেনস্থা করা হয়েছে।

এদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, আমি বিধানসভায় আক্রান্ত হয়েছি। কোনও বিজেপি বিধায়ক আক্রান্ত হলে, তার দায় নিতে হবে স্পিকারকে। বুধবারের এই ঘটনার পর বিধানসভার স্পিকারকেও লিখিত অভিযোগ করেন শুভেন্দু। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, পূর্বস্থলীর বিধায়ক তাকে শারীরিক নিগ্রহ করেছেন। কিছু কুকথাও তৃণমূল বিধায়ক ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। বিধানসভার অভ্যন্তরে বিরোধী বিধায়কদের নিরাপত্তা নিয়েও ওই লিখিত অভিযোগে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু। বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর বিধায়কের এলাকায় গিয়ে তাঁকে আক্রমণ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। শুধু তাই নয়, তাঁর মেয়ের মাধ্যমিকের নম্বরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন যে সরকারি চাকরি কিসের ভিত্তিতে পেলেন। সেই নিয়েই বুধবার বিধানসভার অলিন্দে শুভেন্দুকে প্রশ্ন করেন তপন। এই বিষয় নিয়েই শুরু হয় বচসা। যদিও এ নিয়ে তৃণমূল বিধায়কক জানান, শুভেন্দু কেন ওই কথাগুলি বলেছিলেন, তা তিনি জানতে চেয়েছিলেন। তিনি এই নিয়ে থানায় ও বিধানসভার স্পিকারের কাছেও অভিযোগ জানিয়েছেন বলে দাবি করেন তৃণমূল বিধায়ক। পাশাপাশি শুভেন্দুকে শারীরিক হেনস্থার যে অভিযোগ উঠছে, তাও উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। তপন বলেন, আরও তো অনেক লোক ছিল। আমি তাকে মেরেছি, এমন কোনও ছবি আছে কি? আমি বলেছি, তিনি মিথ্যা কথা বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী।

অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনাকে ইস্যু করে বিধানসভার ভিতরে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বিজেপি বিধায়করা কেন্দ্র থেকে নিরাপত্তা পান। তাঁদের বিধানসভার ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। ফলে এরকম ঘটনা ঘটলে তিনি বিধানসভার মধ্যেও নিরাপদ বোধ করছেন না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *