International Special News Special Reports

পেট্রাপোল সীমান্তে বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য!

0
(0)

খবর লাইভ : খুবই খারাপ অবস্থা বাংলাদেশে। তার জেরে বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে বন্ধ আমদানি ও রপ্তানি। চাকরিতে সংরক্ষণের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন জারি। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রাপোল বন্দরে । শনিবার সকাল থেকে পেট্রাপলের রপ্তানি বন্ধ হয়েছিল। আমদানি চলছিল ধীর গতিতে। কিন্তু রবিবার থেকে আমদানি এবং রপ্তানি দুইই বন্ধ হল। ভারত থেকে বাংলাদেশে যাওয়া ২৭১ গাড়ি এখনও আনলোড হয়নি। সমস্যায় রয়েছেন চালকরা।

অন্য দিকে, বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রী নেই বললেই চলে। বাংলাদেশে যাওয়া মানুষের সংখ্যাও আগের থেকে অনেক কম। ভারত থেকে বাংলাদেশে যাওয়া যাত্রীরা কপালে চিন্তার ভাঁজ নিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ থেকে ফেরা এক ভারতীয় যাত্রী বললেন, “কর্মসূত্রে বাংলাদেশে থাকি। বাংলাদেশে অশান্তির কারণে দেশে ফিরতে হল। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি বাংলাদেশে।”

দুই বাংলার মাঝে সংযোগ রক্ষাকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসও আন্দোলনের মুখে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে বার বার। এই পরিস্থিতিতে রবিবারও বাতিল করা হয়েছে কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস। রাজধানী ঢাকা থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করছে না বৃহস্পতিবার থেকে। কবে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ঢাকায় কোনও ট্রেন প্রবেশ করবে না। এমনকি, ঢাকা থেকে কোনও ট্রেন কোথাও যাবেও না।

গত বৃহস্পতিবারই বাংলাদেশজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা শাটডাউন করে দেওয়া হয়েছিল৷ এর জেরে সরকারি ওয়েবসাইট তো বটেই, বাংলাদেশের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমও তাঁদের খবর আপডেট করতে পারছেন না। শুক্রবার রাত থেকে কারফিউ জারি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের সংবাদসংস্থ‍া সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ‍্যেই বিক্ষোভের জেরে শতাধিক ব‍্যক্তির মৃত‍্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণে বিদেশ সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালেও রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় বাংলাদেশ পুলিশ। রামপুরার আবাসিক পাড়া এলাকায় কয়েক হাজার জন প্রতিবাদীদের মধ‍্যে আহত হয়েছেন এক ব‍্যক্তি। বিক্ষোভের ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় ৩০০ জন বাংলাদেশী পুলিশ অফিসার। বাংলাদেশের সংবাদসংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাত্‍কারে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মুখপাত্র ফারুক হোসেন।

তবে আজ, রবিবারই বিতর্কিত কোটা সিস্টেমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের। অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুদ্দিন মানিকের দাবি, কোটা সংস্কার নিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা বাতিলের আবেদনই করবে সরকার। ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন বড় আকার নিয়েছিল। সেই আন্দোলনে চাপে পড়ে সংসদে দাঁড়িয়ে সব ধরনের সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *