International Special News Special Reports

ভয়াবহ পরিস্থিতি বাংলাদেশে, মৃত সাংবাদিক-সহ ৩২

0
(0)

খবর লাইভ : ভয়াবহ পরিস্থিতি বাংলাদেশে। সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন কার্যত অগ্নিগর্ভ চেহারা নিয়েছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ–যুবলীগের সংঘর্ষ চলছে দফায় দফায়। অগ্নিগর্ভ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও বিভিন্ন সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃ ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিলি-সহ তিন দেশ! 

শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২, তাঁদের মধ্যে একজন সাংবাদিক রয়েছেন। আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।আন্দোলনের জেরে জনজীবন স্তব্ধ। ঢাকা থেকে সমস্ত রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ। গাড়িতে, মোটরবাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাদের থামাতে পুলিশ হিংস্র হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার আলো বন্ধ করে নির্মম হত্যালীলা চালিয়েছে।

জানা গিয়েছে, নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদীর শরীরে ছররা গুলির ক্ষত ছিল। মৃত অপর তিনজনের মধ্যে ওয়াসিম (৩০), নাজমুল এবং মোহাম্মদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রলীগ–যুবলীগ নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন। এ দিকে, বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, প্রয়োজন না থাকলে বাংলাদেশে এখন ভারতীয়দের না যাওয়াই ভাল। বাংলাদেশে যদি কেউ থাকেন, সেক্ষেত্রে বাড়ির বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
প্রসঙ্গত, ২০১৮-তেও সংরক্ষণ-বিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশ উত্তাল হয়েছিল। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট ৫৬ শতাংশ সংরক্ষিত এবং ৪৪ শতাংশ সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। সেই সংরক্ষণ বাতিলের দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। তবে তখনকার মতো আন্দোলন থামাতে সমর্থ হয়েছিল সরকার। শুরু হয় আইনি লড়াই। সাত জন মুক্তিযোদ্ধার স্বজন ২০১৮-র সংরক্ষণ বাতিলের নির্দেশনামার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০২১-এ আদালতে যান। ৫ জুন আদালত রায় দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। তার পরই ফের আন্দোলনের পথে নামে ছাত্র এবং যুব সমাজের একাংশ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *