National Special News Special Reports

মায়ের গায়ে আগুন গুণধর ছেলের!থানার মধ্যের ঘটনায় ভিডিও ভাইরাল হতেই ফের বিপাকে যোগী সরকার

0
(0)

খবর লাইভ : ফের অশান্ত হয়ে উঠল যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশ! একেই সেখানে নারী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে, এবার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর পারিবারিক বিবাদ মেটাতে থানায় এসেছিলেন মা ও ছেলে। অভিযোগ, সেখানেই মায়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন তাঁরই পুত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের খাইর থানা এলাকায়। তবে এদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই থানার মধ্যে রীতিমতো দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায়। এরপর পুলিশ কর্মীরাই বালতি করে জল দিয়ে মহিলার গায়ের আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যে সেই ভয়াবহ ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এখন বিশ্ববাংলা সংবাদ।

পুলিশ সূত্রে খবর, জমি সংক্রান্ত বিবাদ মেটাতে মা ও ছেলেকে খাইর থানায় ডেকে পাঠানো হয় হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে সেইমতো থানায় পৌঁছে যান হেমলতা নামে ওই মহিলা। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই জমি নিয়ে মা ও ছেলে দু’জনের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। তবে হেমলতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুজনকেই একসঙ্গে থানায় ডেকে পাঠায় পুলিশ। কিন্তু পুলিশের হস্তক্ষেপেও সমাধান মেলেনি। যার জেরে পুলিশের সামনেই দু’জন বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, সেসময় আচমকাই মায়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন ছেলে গৌরব। ইতিমধ্যে পুরো ঘটনার ভিডিও থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

এদিন পুলিশের কাছে কোনও সুরাহা না পেয়ে মায়ের গায়ে আচমকাই পেট্রল ঢেলে দেন অভিযুক্ত গৌরব। তারপর কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই মহিলার হাতে থাকা একটি লাইটার নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকেন ওই মহিলা। তড়িঘড়ি পুলিশকর্মীরা সেই আগুন নিভিয়ে মহিলাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, ততক্ষণে মহিলার শরীরের ৪০ শতাংশ ঝলসে যায় বলে খবর। তবে এদিন তড়িঘড়ি মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় ইতিমধ্যে ঘাতক ছেলে গৌরবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *