খবর লাইভ : পাকিস্তানকে হারিয়ে লেজেন্ডসদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হল ভারত। ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেন ইউসুফ পাঠান। ২০০৭, ২০১১, ২০২৪। তিন বার বিশ্বকাপ জেতা হয়ে গেল ইউসুফের। এর মাঝে জিতেছেন লোকসভা নির্বাচনে।ক্রিকেটের ২২ গজ থেকে রাজনীতির ময়দান— অলরাউন্ডার ইউসুফ যেন অপ্রতিরোধ্য।
শনিবার লেজেন্ডস ক্রিকেটেও চাপের মুখে চওড়া হয়েছে তাঁর ব্যাট। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত। ইউসুফের ব্যাট থেকে এসেছে ১৬ বলে ৩০ রানের ঝকঝকে ইনিংস। ১টি চার এবং ৩টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। ১০৮ রানে ভারতের ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন ইউসুফ। তখনও জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ৪৪ বলে ৪৯ রান। বহরমপুরের সাংসদের ব্যাট পরিস্থিতি সহজ করে দেয়। ৫ বল বাকি থাকতেই পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে যুবরাজ সিংহের দল।
আরও পড়ুনঃ: প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি, একটুর জন্য রক্ষা
এই পাকিস্তানের কাছেই লিগ পর্বে হারতে হয়েছিল যুবরাজদের। সে তো ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও গ্রুপের লড়াইয়ে পাকিস্তানকে সরাসরি হারাতে পারেননি ধোনিরা। টাই হওয়ার পর সুপার ওভারে জিতেছিল ভারত। সে বার ফাইনালেও পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। ধোনিদের ৫ উইকেটে ১৫৭ রানের জবাবে শোয়েব মালিকের দলের ইনিংস শেষ হয়েছিল ১৫২ রানে। সেই ফাইনালে ওপেনার ইউসুফ ৮ বলে ১৫ রান করেছিলেন। বোলার ইউসুফ ১ ওভার বল করে খরচ করেছিলেন ৫ রান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারানোর অভিজ্ঞতা ছিলই। তা কাজে লাগিয়ে ঠান্ডা মাথায় ইউনিস খানের দলকে হারিয়েছেন। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা দু’দলের ১১ জন ক্রিকেটার শনিবার মাঠে ছিলেন। কম বয়সের মতো এই বয়সেও পাঠানেরা প্রমাণ করে দিয়েছেন, তাঁরাই সেরা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখন ভারতেরই দাপট।




