খবর লাইভ : সরকারি অফিস মানেই ঢিলেমি, কর্মীদের আলসেমি… এই চিত্র এখনও গেঁথে আছে বহু মানুষের মনে। তবে বিগত কয়েক বছরে এই চিত্রটা বদলেছে। যদিও এখনও বহু সরকারি কর্মী নিজেদের পুরনো আলসেমি ছাড়তে পারেনি। এই আবহে এবার কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে অর্ডার জারি করা হল।
আরও পড়ুনঃ বর্ষা এলেও ভারী বৃষ্টি এখনই নয় দক্ষিণবঙ্গে
দেরি করে অফিসে যাওয়া কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই নিয়ে একটি অর্ডার জারি করে সরকার বলেছে, যে কর্মীদের দেরি করে অফিসে প্রবেশ করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, এবং যারা অফিস থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাড়াতাড়ি চলে যান, তাঁদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর হতে চলেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সরকারি অর্ডারে জানানো হয়েছে, অনেক কর্মচারী আধার সংযুক্ত বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স সিস্টেমে হাজিরা দিচ্ছেন না। এই আবহে নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে হাজিরার জন্য এবার থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মোবাইল ফোন নির্ভর ফেস অথেনটিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। এই ব্যবস্থায় কর্মীর অবস্থান জানা যাবে এবং জিও-ট্যাগিং থাকবে।
এদিকে কর্মীবর্গ দফতরের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিয়মিত হাজিরা পোর্টাল থেকে সব তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবার থেকে। এবার থেকে সরকারি কর্মীরা অফিসে আসতে দেরি করলে তাদের আর্ধেক দিনের ক্যাজুয়াল লিভ কেটে নেওয়া হবে। মাসে দু’বার দেরি করে আসার পরে ফের যদি দেরি হয়, তাহলে তখন থেকে এই সিএল কাটা শুরু হবে। তবে বৈধ কারণ দেখালে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বকে ছুট দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সকল মন্ত্রকের সচিবদেরই এই হাজিরা সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। এই আবহে সকল মন্ত্রক এবং দফতরের প্রধান অধিকর্তাদের এটা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যাতে সব কর্মীরা এই সব নিয়ম মেনে চলেন। সেই বিভাগীয় বা দফতরের প্রধানরাই হাজিরা রিপোর্ট ডাউনলোড করে দেরি করে আসা কর্মীদের চিহ্নিত করবেন।




