খবর লাইভ : পরিবেশ দূষণ কমাতে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল’ নির্দেশ দিয়েছে ১৫ বছরের পুরোনো সব বাণিজ্যিক কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি বাতিল করা হবে। এর জেরে লরির চালক থেকে শুরু করে গাড়ি মালিকদের দুশ্চিন্তার মধ্যে দিনরাত কাটছে । দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগের কথা বলে জানানো হয় । গোটা দেশের পাশাপাশি এই নির্দেশ কার্যকর হবে এরাজ্যেও । এদিকে এই নির্দেশিকা ঘিরেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে । কেন না ১৫ বছরের পুরোনো এমন গাড়ির সংখ্যা বহু রাজ্যে রয়েছে, ফলে ঘুম উড়েছে রায়গঞ্জের পরিবহণ মালিক এবং শ্রমিকদেরও । এমন নিয়ম কার্যকর হলে বহু মানুষের কাজ চলে যাবে বলে মত সকলের ।সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করেছে পরিবহণ দফতর। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ইউরো ফোরের গাড়িগুলিকে নতুন পারমিট দেওয়া যাবে। এই নির্দেশিকা কার্যকর হলে ১ আগস্ট থেকে ১৫ বছরের পুরোনো বাস তুলে নেওয়ার পরেও অন্য রুটের নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে থাকা গাড়িগুলিকে আবার যাত্রী পরিষেবার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন তাঁরা। ২০০৯ সালের একটি মামলার ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দেয় যে, ১৫ বছরের বয়সসীমা পেরিয়ে গেলে আর কোনও বাস কেএমডিএ-র এলাকায় চালানো যাবে না।
মামলাকারীদের বক্তব্য, ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি বাতিল করতে গেলে রাজ্যে প্রায় কয়েক লক্ষ গাড়ি বাতিল হতে পারে। পরিবেশ আদালতের এই নির্দেশ গোটা রাজ্যের জন্য কার্যকর হতে পারে না। তাই সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মৈনাক গঙ্গোপাধ্যায় এবং অরুণাভ ঘোষ ।
দূষণ যদি আয়ত্বে আনা যায় তাহলে একটি সম্পূর্ণ গাড়ি কেন বাতিল হবে? অপরিশোধিত ডিজেল থেকে দূষণ হয়। গাড়ির ইঞ্জিন বদলালেই হয়। বিজ্ঞান ভিত্তিক বিবেচনা করিলে একটি সম্পূর্ণ গাড়ি বাতিল করিতে হয় না, বলে দাবি তাদের।



