খবর লাইভ : গত কয়েক দিন ধরে পর পর বেশ কিছু জঙ্গি হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে কাশ্মীর। সেই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক এবং কাশ্মীরের শান্তিরক্ষায় পূর্ণশক্তি প্রয়োগের নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের লেফ্টেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিংয়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদি। জানা গিয়েছে, কাশ্মীরে সন্ত্রাস রুখতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।নিরাপত্তা সংক্রান্ত এ বৈঠকে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট দেয়া হয়। গত কয়েক দিনে সেখানে কী কী ঘটেছে, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীরা কী কী করেছেন, তার খতিয়ান দেয়া হয় মোদির কাছে।রবিবার (৯ জুন) মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সময়েই তীর্থযাত্রীদের বাসে হামলা চালায় জঙ্গিরা। রিয়াসিতে এই ঘটনায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়।
বুধবার রাহুল গান্ধি এই ধরনের লাগাতার হামলা নিয়ে মোদিকে খোঁচা দেন। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী এখন শুভেচ্ছাবার্তার জবাব দিতে ব্যস্ত। তাই জঙ্গি হামলায় স্বজনহারাদের কান্না তার কানে পৌঁছাবে না। কেবল রাহুল নন, কংগ্রেসের একাধিক নেতাও কাশ্মীরের ঘটনা নিয়ে সমালোচনা করেছেন।নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকে বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট দেওয়া হয়। গত কয়েক দিনে সেখানে কী কী ঘটেছে, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীরা কী কী করেছেন, তার খতিয়ান দেওয়া হয় মোদির কাছে। সূত্রের খবর, এর পরেই প্রধানমন্ত্রী জানান, যে কোনও মূল্যে কাশ্মীরে শান্তি বজায় রাখতে হবে। সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় যা যা করা প্রয়োজন, তা করতে হবে।
গত ৯ জুন জম্মুর রিয়াসি থেকে জম্মুর কাটরার বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে যাওয়ার পথে পুণ্যার্থীদের বাসে হামলা করে জঙ্গিরা। পর পর গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় ওই বাস। চালক গুলিবিদ্ধ হলে বাসটি খাদে গড়িয়ে পড়ে। তার পরেও গুলি থামায়নি জঙ্গিরা। বাসের সকল যাত্রীর মৃত্যু নিশ্চিত করতে চেয়েছিল তারা। এই ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৪৩ জনের বেশি আহত হন। এ ছাড়াও গত কয়েক দিনে কাঠুয়া, ডোডা জেলায় একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। এক সিআরপিএফ জওয়ানেরও মৃত্যু হয়েছে ওই হামলায়। জখম হয়েছেন আরও অনেকে।




