games Special News Special Reports

বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে রেকর্ড ১৫ বার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতল রিয়াল মাদ্রিদ

0
(0)

খবর লাইভ  :  রিয়াল মাদ্রিদ লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ফাইনালে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে পরাজিত করে রেকর্ড ১৫তমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ/ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছে। ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গোল করেন দানি কারভাজাল ও ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিন মরশুমে এটি রিয়াল মাদ্রিদের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়। ডর্টমুন্ড, যারা ১৯৯৭ সালে টুর্নামেন্ট জিতেছিল, তারা ২০১৩ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো রানার্স আপ হয়েছে।

আবারও ইউরোপ সেরার ট্রফি নিজের দখলে করল স্পেনের এই ক্লাব। এই নিয়ে ১৫তম বার জিতল চ্যাম্পিয়নস লিগ। ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত প্রতাপ ধরে রেখেও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ফাইনাল ম্যাচটি জিততে পারল না। শেষ পর্যন্ত ০-২ গোলের ব্যবধানে হারতে হল তাদের। অথচ ওয়েম্বলিতে ইতিহাস গড়তে যা করার তার সবটাই করল রিয়াল মাদ্রিদ। এদিকে ম্যাচ সবকিছু করেও কাঙ্ক্ষিত গোলটাই পেল না বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। অন্য দিকে আধিপত্য না থাকলেও গোলের ঠিকানা পেয়ে গিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে প্রথমার্ধে রিয়াল মাদ্রিদ পাত্তাই পায়নি। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে প্রথম এক ঘণ্টায় কোনও সুযোগই তৈরি করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। তবে এর মাঝে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের একের পর এক আক্রমণের তোড়ে ভেসে যাওয়ার অবস্থা ছিল মাদ্রিদের। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ভিন্ন রূপে হাজির আনচেলত্তির দল। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়ে ইউরোপ সেরার মুকুট পুনরুদ্ধার করল রিয়াল। ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে রেকর্ড ১৫তম বার চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জয় করল কার্লো আনচেলত্তির দল।

ম্যাচের ২০ মিনিটে ম্যাট হামেলসের থ্রু বল ধরে রিয়াল গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন করিম আদেমি। থিবু কোর্তোয়াকে কাটাতে গিয়ে সময় নষ্ট করে ফেলেন তিনি, ততক্ষণে কার্ভাহাল এগিয়ে এসে ঝুঁকিমুক্ত করেন রিয়ালকে। এরপরে ২৩ মিনিটে জোড়া আক্রমণ করে বরুশিয়া। সানচোর পাস থেকে ফুলক্রুগ রিয়াল গোলরক্ষক কোর্তোয়াকে পাশ কাটিয়ে বাঁ পায়ের আলতো ছোঁয়ায় বক্সের দিকে ঠেলে দেন। কিন্তু তা ভেতরের পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ৩৫ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস। বরুশিয়া গোলরক্ষকের পায়ে আঘাত করার কারণে কার্ড দেখেন তিনি। হলুদ কার্ড দেখেন ডর্টমুন্ডের স্লটারব্যাকও। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতি থেকে ফিরে ৫৭ মিনিটে বক্সের ভিতর থেকে কারভাহালের শট কোনও রকমে ঠেকান ডর্টমুন্ডের সুইস কিপার গ্রেগর কোবিয়াল। ৭৪ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ক্রুসের নেওয়া কর্নার কিক থেকে হেডে রিয়ালকে এগিয়ে দেন দানি কারভাজাল। শেষ ম্যাচে মহা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিস্ট করা ক্রুস হন উৎসবের মধ্যমণি। ৮৩ মিনিটে আর আটকানো যায়নি ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। রক্ষণের ভুলে ফাঁকায় বল পেয়ে সহজেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। এই গোলে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় রিয়ালের জয়। শেষ পর্যন্ত বাকি সময়ে বরুশিয়া কোনও চমক দেখাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের উৎসবে মাতে মাদ্রিদের ফুটবলাররা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *