খবর লাইভ : টি-টোয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে ভারত। একই সঙ্গে পরের বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও কিছুটা এগিয়ে রাখা সম্ভব হল। প্রথমত, রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের ওপেনিং আশ্বস্ত করেছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আইপিএলে খেলে তিনি এখন অনেক পোক্ত। প্রথম এবং শেষ ম্যাচ বাদ দিলে ভারতকে ভরসা দিতে পারে রুতুরাজের ওপেনিং। শুরু থেকেই দুরন্ত ব্যাট করছেন।সবচেয়ে বড় কথা পাওয়ার প্লে পুরোপুরি কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন।আরও কিছুটা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারলেই আরও ভাল হবে।
আরও পড়ুনঃ পরিকাঠামো সমস্যায় এবছরও হবে না শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা
দ্বিতীয়ত, রিঙ্কু সিংয়ের ব্যাটিং বাড়তি পাওনা। ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে সাফল্য। রবিবারের ম্যাচ বাদে রিঙ্কুর ব্যাট সব ম্যাচেই ভরসা দিয়েছে। রান তাড়া করার সময়েই হোক বা ধরে খেলা, সব পরিস্থিতিতেই সাবলীল রিঙ্কু। বিশ্বকাপে মিডল অর্ডারে এ রকমই একজন ব্যাটারকে প্রয়োজন দলের।
তৃতীয়ত, ভারতীয় স্পিনারদের বোলিং যে কোনও দলকে বিপদে ফেলার পক্ষে যথেষ্ট। রবি বিষ্ণোই এই ফরম্যাটে চলতি সিরিজ়ে ৯টি উইকেট নিয়েছেন।সঙ্গে অভিজ্ঞ অক্ষর পটেল তো রয়েছেনই।এর পাশাপাশি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে রবীন্দ্র জাডেজা থাকলে স্পিন বিভাগ আরও শক্তিশালী হয়ে যাবে ভারতের।চতুর্থত,বিকল্প হিসাবে মুকেশ কুমারের তৈরি হওয়া বড় পাওনা ভারতীয় দলের কাছে। টেস্ট বা এক দিনের দলে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ শামি এবং মহম্মদ সিরাজ রয়েছেন। কিন্তু এঁদের বিশ্রাম দেওয়া হলে বিকল্প হিসেবে নিজেকে তুলে আনছেন বাংলার মুকেশ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নিচ্ছেন। জুটি ভাঙছেন, রানও কম দিচ্ছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ফরম্যাটে তাঁর নির্বাচিত হওয়া দেখে বোঝা গিয়েছে নির্বাচকেরাও আস্থা রাখছেন মুকেশের উপরে।
পঞ্চমত, সূর্যকুমার যাদবের অধিনায়কত্ব ভরসা জোগাচ্ছে। প্রথম বার জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব পেয়ে দলকে ৪-১ জেতালেন সূর্যকুমার। বিশ্বকাপে খারাপ পারফরম্যান্সের ভূত কিছুটা হলেও তাঁর ঘাড় থেকে নেমেছে। দক্ষিণ আফ্রিকাতেও টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে তিনিই অধিনায়ক। সেখানেই সূর্যের আসল পরীক্ষা।




