খবর লাইভ : নওশাদকে যে কারণ দেখিয়ে শুক্রবার ভাঙড়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, সেই ১৪৪ ধারার কারণ দেখিয়েই আটকানো হল দুই তৃণমূল নেতা এবং তাঁদের অনুগামীদের। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শওকত, আরাবুলরা। প্রতিবাদে রাস্তাতেও বসে পড়েন তাঁরা।
ভাঙড় ২ ব্লকের ভোগালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কাঁঠালিয়া এলাকার এক তৃণমূল কর্মী মৃত্যু হয় শনিবার। শেখ মোসলেম নামে ওই তৃণমূল কর্মী ভোট-সন্ত্রাসে জখম হয়েছিলেন। শওকত অভিযোগ, দলীয় কর্মীর শেষকৃত্যে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু কাশীপুর থানার পুলিশ তাঁদের ভাঙড় ব্রিজের কাছে আটকে দেয়। ১৪৪ ধারার কারণ দেখিয়ে তাঁদের ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর পরেই গাড়ি থেকে নেমে এসে রাস্তায় বসে পড়েন শওকত এবং আরাবুল।
আরও পড়ুনঃ মোদির সফর উপলক্ষে বুর্জ খলিফাকে জাতীয় পতাকার রঙে সাজানো হল
শওকত বলেন, ‘‘আইএসএফের লোকেরাই তো আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। পুলিশের উপর গুলি চালিয়েছে। তৃণমূল তো কিছু করেনি। আমরা তো ভাঙড়ে সভা করতে যাচ্ছি না। আমাদের এক জন মারা গিয়েছেন। তাঁর শেষকৃত্যে গেলে কী সমস্যা!’’
ঘটনাচক্রে, এই ঘটনার কিছু ক্ষণ আগেই নওশাদ অভিযোগ করেছেন, তাঁকে ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও শনিবার শওকতেরা সেখানে গিয়ে দলের ২১ জুলাই কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা করেছেন। আইএসএফ বিধায়ক বলেন, ‘‘আইন সকলের জন্য এক হতে হবে। বিরোধীদের আইনের যাতাকলে পিষে মারা হচ্ছে। আর শাসকদলের নেতারা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি আবার ভাঙড়ে যাব। দেখি কী করে আমায় আটকায়।’’




