খবর লাইভ : ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচি-সহ চারটি বিষয়ে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে মামলা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ পাওয়ার পরেও কেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করেনি, বৃহস্পতিবার সকালে সেই প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। দুপুরে একে একে সব অভিযোগের জবাব দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার পরেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আবার সতর্ক করে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, সুষ্ঠু এবং অবাধ ভোটের পক্ষে ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে।
শুভেন্দুর বক্তব্য, এই কাজে নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। বুধবার সেই মামলা বিচারপতি অমৃতা সিংহের এজলাসে শুনানির জন্য উঠলে, তা প্রধান বিচারপতির এজলাসে পাঠানো হয়।
শুভেন্দুর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী সওয়াল করে বলেন, ‘‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী কর্মসূচিতে রাজনৈতিক কর্মসূচি ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। যা এখন চলছে।’’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘নির্বাচন ঘোষণার পরে জলপাইগুড়ির জেলা পরিষদের তৃণমূলের এক প্রার্থী টাকার বিনিময়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুনঃ বিদেশের মাটিতেও এবার আইআইটি ক্যাম্পাস! মউ স্বাক্ষর কেন্দ্রের
পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অমরনাথ তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন। তা নিয়ে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। তার প্রেক্ষিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, পূর্ব মেদিনীপুরের একটা অংশ স্পর্শকাতর। বিচারপতি প্রশ্ন করেন কমিশনকে। বক্তব্য শোনার পর কমিশনকে পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় আদালত। মামলাকারী আর্জি জানান, পূর্ব মেদিনীপুরকে সরাসরি আইজি বিএসএফের নিয়ন্ত্রণে আনা হোক। সেই আবেদনেও কার্যত খারিজ হয়ে যায়।
পাশাপাশি জলপাইগুড়ির জেলা পরিষদের তৃণমূলের এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগ করেন মামলাকারী । তাতে কমিশনের আইনজীবী জানান, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলাশাসক রিপোর্ট দিয়েছেন, ভিক্ষাজীবীদের ভিক্ষা দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। জেলাশাসকের রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযোগ সঠিক নয়।




