Special News Special Reports State

নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির চার্জশিটে নাম মণীশের, রয়েছে পার্থর প্রাক্তন ওএসডি সুকান্তের নামও!

0
(0)

খবর লাইভ : নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ইডি-র চার্জশিট পেশ করেছে। আর সেই চার্জশিটে নাম রয়েছে শিক্ষাসচিব, আইএএস মণীশ জৈনের। সেই সঙ্গে আছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দফতরে নিযুক্ত ডব্লিউবিসিএস অফিসার সুকান্ত আচার্যের নামও। তবে শিক্ষাসচিবের দাবি, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। আর সুকান্তের দাবি, এ-সবই ‘গুজব’।

নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে পার্থ ছাড়াও শিক্ষাকর্তা, তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও ব্যবসায়ী মিলিয়ে ইতিমধ্যে আধ ডজনেরও বেশি অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছেন। তবে বিভিন্ন সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে এর আগে কখনও সরাসরি অভিযোগ ওঠেনি।

এর আগেও মণীশকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। কলকাতা হাই কোর্টের গড়ে দেওয়া তদন্ত কমিটির প্রধান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগেরও মুখোমুখি হতে হয়েছিল মণীশকে। তিনি লিখিত বয়ানও দিয়েছিলেন। যদিও এই মামলায় ইডি-র কোনও চার্জশিটে শিক্ষাসচিবের নাম এই প্রথম উল্লেখ করা হল।
সম্প্রতি বিশেষ আদালতে ১০৪ পাতার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। সেখানে ইডি সরাসরি অভিযোগ করেছে, শিক্ষা ক্ষেত্রে পাকা চাকরির আশ্বাস দিয়ে আলাদা ভাবে ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা হত। শুধুমাত্র টাকা নেওয়ার জন্য সেই ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করা হত। আর তাতে সক্রিয় ভূমিকা নিতেন পার্থ, মণীশ, সুকান্ত, অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়।
তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় কুন্তল জানান, টাকার বিনিময়ে বেসরকারি বিএড ও ডিএলএড কলেজের অনুমোদন দেওয়ার দুর্নীতিতেও পার্থ ও মণীশ ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। পার্থের নির্দেশেই মণীশ সব ব্যবস্থা করতেন। শুধু শিক্ষা দফতরের অফিসে নয়, তদন্তকারীদের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সুকান্ত, প্রবীর ও কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর পার্থ সরকারের মাধ্যমে পার্থের কাছে পাঠানো হত বলে লিখিত বয়ানে দাবি করেছেন কুন্তল। কুন্তলের এই বয়ান নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তকারীদের কাছে তুরুপের তাস স বলেই মনে করা হচ্ছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *