খবর লাইভ : সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জিএসটি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সিঙ্গুর থেকেই পথশ্রী-রাস্তাশ্রী প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, “২২ টি জেলার ৩০ হাজার গ্রামে রাস্তা তৈরি করতে ৪ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সবটাই রাজ্য সরকারের টাকা। জিএসটি সমর্থন ভুল ছিল। ভেবেছিলাম রাজ্যগুলোর ভাল হবে।দেখছি ১০০ দিনের টাকা বন্ধ। কেন্দ্রীয় সরকার ৭০০০ কোটি টাকার এক টাকা দেয়নি। একাধিকবার প্রথম হয়েছিলাম, তাই হিংসে হতে পারে। যে রাস্তা হচ্ছে মনে রাখবেন কেন্দ্রীয় সরকারের মনিটরিং থাকবে। ১০০ দিনের কাজ যাঁরা করতেন, তাঁরা কাজ করবেন।”
২০১৭ সালের ১ জুলাই জিএসটি চালু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যার জেরে সে সময় দেশ জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছিল। তবে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থনই জানিয়েছিল বাংলা। কিন্তু ‘পুণ্যভূমি’ সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে জিএসটি সমর্থনের সেই সিদ্ধান্তকে ভুল বলে মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “শুধু ছবি লাগালে হয় না। বুদ্ধি খরচ করতে হয়। আমরা দেখি সারা বাংলায় মাত্র ৩০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা আছে ২০১১ সালে। ২০১৪ সালে আমলাশলে গিয়ে ১৬ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা , ২০১৭ সালে ভাঙ্গর থেকে ২৫ হাজার কিমি, ২০২০ সালে উত্তরবঙ্গ ১৭ হাজার কিমি। বড় ট্রাক গ্রামের রাস্তায় ঢুকতে দেবেন না। বাংলার গ্রামীণ যোজনাতে ২৬ হাজার কিমি রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। রেলকে বলতে হবে বাড়ি গুলো ভাল করো না হয় আমাদের দাও।”
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিঙ্গুরের জমি ফেরানো নিয়ে ২৬ দিন জল না খেয়ে আমরণ অনশন করেছি। তাপসী মালিকের নামে স্তম্ভ করেছি। ট্রমা কেয়ার সেন্টার করেছি। সিঙ্গুরে কৃষকদের চাষযোগ্য জমি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, কথা দিয়েছিলাম কথা রেখেছি। ২৫০ একর জমি পড়ে রয়েছে। সেই জমিকে চাষের উপযুক্ত করার জন্য নিচু জমিতে মাটি দিয়ে সমান নিকাশি নালা নির্মাণ হয়েছে।অনেকগুলি টিউবওয়েল করছি। ইন্ডাস্ট্রি শুরু করে দিতে বলব যাতে লোকাল ছেলেরা যাতে কাজ পান।”



