খবর লাইভ : গর্ভবতী অবস্থায় নিয়মিত সংস্কৃত মন্ত্র ও গীতা-রামায়ণ পাঠ করতে হবে মহিলাদের। যাতে গর্ভস্থ শিশুরা জন্মের আগেই প্রায় ৫০০টি শব্দ শিখে ফেলতে পারে। পাশাপাশি হবু মা যদি ঠিকমতো গীতাপাঠ করেন, তাহলে গর্ভস্থ সন্তানের ডিএনএও নাকি পালটে দেওয়া যায়। ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এমনই পদক্ষেপ আরএসএস-এর। আর এমন সিদ্ধান্তের পর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে আরএসএসকে।
‘সম্বর্ধিনী ন্যাস’ নামে আরএসএসের মহিলা শাখা সংগঠন এই নতুন প্রকল্পকে কার্যকরী করার উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন এবার মাতৃগর্ভেই এবার ভারতীয় সংস্কৃতি শিখবে শিশুরা। আর সেকারণেই ভগবান রাম, হনুমান, শিবাজীর মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কাহিনী শোনানো হবে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আরএসএস-র পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, গর্ভ সংস্কার নামে এই প্রকল্পের মাধ্যমে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের সঙ্গে কথা বলবেন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকরা। আর জন্মের আগে থেকেই গর্ভস্থ সন্তানদের বার্তা দেওয়া হবে, কীভাবে দেশকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এমন কথাই জানিয়েছেন সম্বর্ধিনী ন্যাসের আয়োজক মাধুরী মারাঠে।
পাশাপাশি গর্ভস্থ অবস্থায় শিশুদের ডিএনএও পালটে দেওয়া যায় বলে দাবি করেছে সম্বর্ধিনী ন্যাস। তাঁদের মতে, গর্ভবতী অবস্থায় নিয়মিত সংস্কৃত মন্ত্র ও গীতা-রামায়ণের পাঠ করতে হবে মহিলাদের। কারণ গর্ভস্থ শিশুরা জন্মের আগেই প্রায় ৫০০টি শব্দ শিখে ফেলতে পারে। হবু মা যদি ঠিকমতো গীতাপাঠ করেন, তাহলে গর্ভস্থ সন্তানের ডিএনএও পালটে দেওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১ হাজার গর্ভবতী মহিলার সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা রয়েছে সম্বর্ধিনী ন্যাসের। গর্ভ সংস্কার নামে এই প্রকল্পের প্রচারে ইতিমধ্যেই জেএনইউ ক্যাম্পাসে একটি সম্মেলনের আয়োজন করে সম্বর্ধিনী ন্যাস। ১২টি রাজ্য থেকে প্রায় ৮০ জন আয়ুর্বেদ বিশারদ ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।




