খবর লাইভ : ভালো রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। নতুন করে কোনও শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়নি তাঁর। আপাতত সুস্থ থাকায় বুধবারই নার্সিংহোম থেকে বাড়ি ফেরেন তিনি। সম্পূর্ণ করোনামুক্ত হওয়ায় প্রয়োজন নেই হোম আইসোলেশনের।
শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে বুদ্ধবাবুকে ভর্তি করা হয়েছিল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ২ জুন তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও অসুস্থ ছিলেন বুদ্ধবাবু। তাঁদের মেয়ে বাড়িতে একা থাকেন, ফলে তাঁর পক্ষে দেখভাল করাটা সমস্যার। বাড়িতে দেখাশোনার লোকের অভাব থাকায় গত ২ জুন থেকে সিআইটি মোড়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বুদ্ধবাবু ও তাঁর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। আগের হাসপাতালের খরচ অত্যাধিক হওয়ায় দলেরই এক চিকিৎসকের নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন তাঁরা। আগের হাসপাতাল ছাড়ার সময়েও তিনি ইন্টারমিটেন্ট বাইপ্যাপ সাপোর্টে ছিলেন। শুকনো কাশির সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে ছিল তাঁর। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখন ভালো আছেন তিনি। এক্স-রে করেও দেখা হয়েছে, নতুন কোনও সমস্যা হয়নি তাঁর। বুদ্ধবাবু এখন সম্পূর্ণ করোনামুক্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই তাঁর আর আইসোলেশনে থাকার প্রয়োজন নেই।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ মে বুদ্ধবাবুর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। হাসপাতালে ভর্তি হতে না চাওয়ায় বাড়িতেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় যশ বাংলায় আছড়ে পড়ার ঠিক এক দিন আগে আচমকাই তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৮৬ তে নেমে যায়, পরে আবার বেড়েও যায়। তবে অক্সিজেনের মাত্রা ওঠানাম করতে থাকায় চিন্তিত হয়ে পড়েন তাঁর চিকিৎসকরা। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়। যশ আগমনের উদ্বেগে আপদকালীনভাবে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো জরুরি মনে করেন চিকিৎসকরা। তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সেখানে বুদ্ধবাবুর চিকিৎসায় সাত সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, করোনাকে জয় করে বাড়িতে ফিরে এলেও উৎকন্ঠায় ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বুদ্ধজায়া মীরা।




