খবর লাইভ : কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আইনি পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সোশ্যাল চ্যাট প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। এদিন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।
আদালতের কাছে আর্জি জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, কেন্দ্র যে নতুন নীতিমালা এনেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের জন্য তা উপভোক্তাদের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। এই নিয়মে উপভোক্তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। তাই আদালত যেন অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। এই নতুন নীতি সম্পূর্ণরূপে অসাংবিধানিক।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, হোয়াটসঅ্যাপ মোদি সরকারের এই নতুন ডিজিটাল নীতির বিরুদ্ধে। নতুন নীতিতে বলা হয়েছে কোনও মাধ্যমে আসা বার্তার উৎসস্থল ও প্রেরকের তথ্য দিতে হবে যদি কেন্দ্র চায়। এতেই ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে বলে হোয়াটসঅ্যাপ-এর দাবি। উপভোক্তারও সমস্ত তথ্য বাধ্য হয়েই কেন্দ্রকে জানাতে গিয়ে বাক-স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে এই নীতি নিয়ে আলোচনা করি, বদলাতে বলি কিন্তু তারা নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। তবে আদালত আমাদের নির্দেশ দেয় তাহলে আমরা বাধ্য হয়েই সমস্ত তথ্য কেন্দ্রের হাতে তুলে দেব।
হোয়াটসঅ্যাপ আগেই জানিয়েছিল তাদের নতুন আপডেটে এনক্রিপ্টেড ভার্সানের জন্য শুধুমাত্র দুই উপভোক্তাই বর্তমানে নিজেদের পাঠানো বার্তা দেখতে পারে, তৃতীয় কোনও ব্যক্তি এই বার্তা দেখতে পারবে না। আর কেন্দ্রের নীতি ভাঙতে গেলে এনক্রিপ্টেড ভার্সানের সমস্ত তথ্য বাইরে আনতে হবে। যার ফলে দুই উপভোক্তার অর্থাৎ প্রেরক ও গ্রাহকের তথ্য কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে। যেটা কার্যত খুবই চাপের কারণ এই মুহূর্তে ৪০ কোটি উপভোক্তা ব্যবহার করছেন হোয়াটসঅ্যাপ।



