খবর লাইভ : কেন্দ্রের টিকা-নীতিকে বুধবার এক হাত নিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। একে বিমুদ্রাকরণের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে, সম্পত্তি-স্বাস্থ্য-জীবন হারানোর ক্ষতি বয়ে বেড়াবে এবং শেষে কিছু কর্পোরেট মুনাফা করে বেরিয়ে যাবে। গত মঙ্গলবারও কেন্দ্রের টিকা নীতিকে সমালোচনা করেছিল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ ছিল, সরকার তার দায় এড়িয়ে যাচ্ছে এবং তাদের টিকা নীতি রাজ্যগুলির উপর কার্যত মাত্রাতিরিক্ত চাপ বাড়াবে। কেন্দ্র সরকার অনেক টালবাহানার পর স্বীকার করেছে যে, টিকার ঘাটতি রয়েছে এবং অনেক ত্রুটি রয়েছে সাম্প্রতিক টিকা নীতিতে। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা পি চিদাম্বরম মঙ্গলবার বলেছিলেন, সরকার যে নীতি নিয়েছে তাতে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির মুনাফা করার প্রশস্ত করে দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যগুলির সঙ্গে আচরণের বেলায়ও পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এর ফলে ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে অসাম্য বাড়বে। বিশ্বের কোথাও কোনও সরকার তাদের টিকা প্রোগ্রাম বাজারের উপর ছেড়ে দেয়নি।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢ়রা মঙ্গলবার কেন্দ্র সরকারের উপর দোষারোপ করেন হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতির জন্য। মঙ্গলবার দিল্লির হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের মারাত্মক ঘাটতি দেখা গিয়েছে এবং গঙ্গারামের মতো হাসপাতালকে এসওএস পাঠাতে হয়েছে সরকারের কাছে মানুষের জীবন বাঁচাতে। প্রিয়াঙ্কা বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম অক্সিজেন উৎপাদনকারীদের মধ্যে ভারত অন্যতম। অথচ তারপরও অক্সিজেনের ঘাটতি। এই ঘাটতির কারণ হিসাবে তিনি পরিবহণ ব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন। সরকার মানুষের কাছে অবশ্য প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী অক্সিজেন পৌঁছে দিতে ব্যর্থ। এক ট্যুইটে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দ্বিতীয় ঢেউ যখন অবশ্যম্ভাবী ছিল তখন আগে থেকে ব্যবস্থা নেয়নি কেন সরকার? তখন হাতে সময় ছিল। তিনি বলেন, এখনও খুব দেরি হয়ে যায়নি। এদিকে দেশে যখন অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে তখন কেন্দ্র সরকার বিদেশে অক্সিজেন রপ্তানি করছে। এ নিয়েও প্রিয়াঙ্কা তীব্র আক্রমণ করেন মোদি সরকারকে। অতিমারীর সময় এই রপ্তানি দ্বিগুণ করা হয়েছে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের প্রশ্ন, অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর জন্য কে দায়ী থাকবে?



