State

নন্দীগ্রামে গুলিকাণ্ডের পরই শুভেন্দুর আঁতাতের কথা জানতে পারি, বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

0
(0)

খবর লাইভ : নন্দীগ্রামে শিশির অধিকারী-শুভেন্দু অধিকারীকে সঙ্গে নিয়েই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য জমি অধিগ্রহণ করতে যান৷ ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে গুলি চালনার ঘটনায় জড়িত ছিলেন শুভেন্দুরা৷ ঘটনার পর-পরই নাকি একথা জানতে পারেন মমতা ! বৃহস্পতিবার এক বৈদ্যুতিন মাধ্যমে সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য তৃণমূল নেত্রীর৷
ক্ষোভের সঙ্গে এদিন মমতা বলেন, মেদিনীপুর জেলায় এখনও অবধি তিনি গেছেন হাতে গোনা কয়েকবার ৷ রাজ্যের অন্যান্য জেলায় যেমন তাঁর অবাধ যাতায়াত তেমনটা কখনোই মেদিনীপুরে থাকেনি ৷ তার কারণ নাকি অধিকারী ‘বাপ-বেটা’ ৷ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বছরে একবার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিভিউ মিটিং ছাড়া বেশি ওই জেলায় যাননি বলে দাবি করেন মমতা৷
তারপরও শুভেন্দু অধিকারীকে মন্ত্রিত্ব, শিশির অধিকারীকে গুরুত্বপূর্ণ পদ কেন দিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে নেত্রীর অকপট স্বীকারোক্তি, ‘ওটা আমাদের একটু ভুলই হয়ে গেছে৷ ঘরের বিবাদ সামনে আনতে চাইনি৷ জনসমক্ষে আনতে চাইনি৷ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম৷’ স্পষ্ট বললেন, ‘বলতে পারেন এদের একপ্রকার আমি সহ্যই করেছি৷’
২০০৭ এর ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে গুলি চলার পরপরই তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে শুভেন্দুদের আঁতাতের কথা জানতে পেরেছিলেন বলে সাক্ষাৎকারে বলেন তৃণমূল নেত্রী ৷ বলাবাহুল্য, এদিন একাধিকবার শুভেন্দু অ্যান্ড কোং, অর্থাৎ যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছে তাদের মীরজাফর, গদ্দার বলে সম্বোধন করেন মমতা ৷ সোজাসুজি জানিয়ে দেন, তিনি এদের নিয়ে কোনও কথাই বলতে চান না ৷ নাম নেওয়া তো দূরের কথা ৷ এবং সত্যি সত্যিই গোটা সাক্ষাৎকারে তাঁকে মুকুল রায়-শুভেন্দু-শিশির-রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়-বৈশালী ডালমিয়াদের নাম মুখেও আনতে শোনা যায়নি ৷

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *