
খবর লাইভ : রেস্তোরাঁ-ধাবার মাংস হালাল নাকি ঝটকা? কোন পদ্ধতিতে কাটা হয়েছে প্রাণীটিকে? এবার তা জানাতে হবে ক্রেতাদের। এমনই নির্দেশ দিল বিজেপি শাসিত উত্তর দিল্লি পুরসভা। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
পূর্ব ও দক্ষিণ দিল্লির পর এবার উত্তর দিল্লি। গ্রাহকদেরকে জানাতে হবে মাংস কাটার পদ্ধতি। নয়া নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে, উত্তর দিল্লির পুরসভার ৬টি জোনের সবকটি দোকান, রেস্তোরাঁ, ধাবার মাংসর দোকানগুলিকে জানাতে হবে মাংস কাটার পদ্ধতি। প্রশ্ন হল, হালাল বা ঝটকা পদ্ধতি কী? হালাল পদ্ধতিতে প্রাণীকে কাটা হয় শরিয়া মত অনুযায়ী। এক্ষেত্রে প্রাণীকে জীবন্ত হতে হয়। আড়াই প্যাঁচে পশুটিকে হত্যা করা হয়। শরীর থেকে সব রক্ত বের করে দেওয়া হয় এই পদ্ধতিতে। অন্যদিকে, ঝটকা পদ্ধতিতে, এক ঝটকায় মাথা থেকে দেহ আলাদা করে দেওয়া হয়। অনেকেই আপত্তি জানায় হালাল পদ্ধতির। একাংশের দাবি, এই পদ্ধতি খুবই নিষ্ঠুর। ২০২০ সালে হালাল পদ্ধতিতে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানানো হয়। সেই প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, জনগণের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আদালত কোনও মন্তব্য বা পদক্ষেপ করতে পারে না। যাঁরা হালাল করা মাংস খেতে চান, তাঁরা খেতেই পারেন।
সম্প্রতি কেন্দ্র রেড মিট মেনুয়াল থেকে হালাল শব্দটি সরিয়ে দেয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ তথা অন্যান্য ডানপন্থী সংগঠনের দাবি ছিল, এই শব্দটি উল্লেখ থাকলে মুসলিম ব্যাপারীরা বেশি সুবিধা পান। তাদের আরও যুক্তি, ভারত মুসলিম রাষ্ট্র ছাড়াও বহু দেশে মাংস রফতানি করে। সেক্ষেত্রে হালাল নাকি ঝটকা উল্লেখ থাকলে মাংস রফতানি করতে সুযোগ পাবেন সব সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীরা।



