খবর লাইভ : রথযাত্রার পরেই কী খোলা হবে নাকি তার আগেই? পুরীর মন্দিরের রহস্যময় ভাণ্ডার ঘিরে ক্রমশ কৌতুহল বাড়ছে ভক্তদের। রথযাত্রার পরই এই রহস্যময় ভাণ্ডার খোলা হবে বলে আগেভাগেই ঘোষণা করেছিলেন ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগ। কিন্তু, সেই তথ্যকেই ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিয়েছিল ওড়িশা সরকার। এবার সেই রত্নভাণ্ডার খোলা প্রসঙ্গেই বড়সড় আপডেট ওড়িশার নয়া মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝির।
রবিবার ওড়িশার বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মোহন বলেন, ‘জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার খুব শীঘ্রই খোলা হবে।’ এদিন ভুবনেশ্বরে একটি অনুষ্ঠানে নতুন বিধায়ক এবং সাংসদদের সম্বর্ধনা দিতে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সকলের মনে এখন একটিই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। আমি জবাব দিচ্ছি। রত্নভাণ্ডার খুব শীঘ্রই খোলা হবে। খতিয়ে দেখা হবে ভাণ্ডারে গচ্ছিত থাকা জগন্নাথদেবের সমস্ত অলঙ্কার। যদি কোনও অনিয়ম ধরা পড়ে এবং কেউ দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না।’
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পরই সমালোচনার ঝড় উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এসব মন্তব্য করেই ওড়িশাবাসীকে ধোঁয়ার মধ্যে রাখতে চাইছে বিজেপি। যেখানে নবীন পট্টনায়ক সরকারকে সরিয়ে বিজেপির হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে ওড়িশাবাসী। লোকসভা ভোটের আগে এই রত্নভাণ্ডার খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসতেই এবার রত্নভাণ্ডারের দরজা খোলা নিয়ে ‘ভাঁওতাবাজি’ শুরু মোদি সরকারের। উল্লেখ্য, ৮ জুলাই পুরীর মন্দিরের এই ভাণ্ডার খোলার দিন ঘোষণা করে বিপাকে পড়েন এএসআই – এর সুপারইনটেনডেন্ট। তবে সেই দাবিকে খারিজ করে দেন ওডিশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন। আইনমন্ত্রী বলেন, ৮ জুলাই রত্ন ভাণ্ডার খোলার বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। ওই সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে রত্ন ভাণ্ডার খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




