খবর লাইভ : রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছিলেন, নিরাপরাধ মানুষদের বন্দুকের নলের সামনে রাখা হচ্ছে। এটা কোনও সভ্য সরকার হতে দিতে পারে না। আর এবার তিনি সরাসরি চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। অভিযোগ করলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা অবনতি এবং তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিতে লিখলেন রাজ্যপাল।ভোট মেটার পরও রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিরোধীদের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে বঙ্গ রাজনীতি সরগরম। এর মধ্যেই গত সপ্তাহে, শুভেন্দু অধিকারী ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করতে গেলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি বাধে রাজভবনের সামনে। শেষ অবধি রাজভবনে ঢুকতেই পারেননি বিরোধী দলনেতা। শেষমেষ, রাজ্যপাল নিজেই পৌঁছে যান বিজেপি কর্মীদের কাছে। তখনই তৃণমূল শিবির থেকে আসে কটাক্ষ।
এরপর হাই কোর্টের থেকে অনুমতি নিয়ে তিনদিন পর, ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাসে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘ হিংসার বিরুদ্ধে আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই লড়ব।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। রাজভবনে মোতায়েন সব পুলিশ কর্মীকে বদলি করতে হবে।’ সংঘাতের আবহেই এবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল। সবমিলিয়ে আরও জোরালো হল রাজ্য় সরকার ও রাজভবনের সংঘাত। ভোটের ঠিক আগে মাঝরাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন হন মহিলা বিজেপি কর্মী রথিবালা আড়ি। নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। গোটা ঘটনাকে “রক্তস্নান” হিসেবে উল্লেখ করে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। খুনের পর রাজ্য প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা জানতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চান তিনি।




