Special News Special Reports State

রাজ্যে বাড়ছে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, সেই সঙ্গে নতুন ডাক্তার

0
(0)

খবর লাইভ  : চলতি শিক্ষাবর্ষে নতুন আটটি মেডিক্যাল কলেজ পেতে চলেছে বাংলা। সেই সঙ্গে পুরোনো মেডিক্যাল কলেজগুলিতেও বাড়ছে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আসন সংখ্যা। রাজ্যের ৪৪টি মেডিক্যাল কলেজ পাবে এই আসন। ডাক্তারি প্রবেশিকা নিয়ে চূড়ান্ত জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসার পর ভাবমূর্তি রক্ষায় মরিয়া কেন্দ্র সরকার গোটা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরাতে তড়িঘড়ি মাঠে নেমেছে। যদিও নতুন আটটি কলেজের মধ্যে সাতটিই বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ।

এনএমসি-র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারা দেশে চলতি বছরে নতুন ১১২টি মেডিক্যাল কলেজ চালু হতে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও আটটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ। সারা দেশে যেমন নতুন কলেজগুলির অধিকাংশই বেসরকারি, তেমনই ছবি বাংলাতেও। এখানে একমাত্র আইআইটি খড়্গপুরের মেডিক্যাল কলেজটিই সরকারি, বাদবাকি সাতটিই বেসরকারি কলেজ। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার দু’টি করে এবং পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদের একটি করে কলেজ। যে নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলি ছাড়পত্র পেয়েছে, সেগুলি হলো খড়্গপুরের ডা. বিসি রায় মাল্টি-স্পেশালিটি মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার (আইআইটি), পুরুলিয়ার ভারত মেডিক্যাল কলেজ, পূর্ব বর্ধমানের ইস্ট ওয়েস্ট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ, অশোকনগরের এমআর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস, নিউটাউনের পিকেজি মেডিক্যাল কলেজ, রানাঘাটের মন্দাকিনি ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স, কৃষ্ণনগরের ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স এবং রঘুনাথগঞ্জের জাকির হোসেন মেডিক্যাল কলেজ।

দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ও এ বছরই চালু হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার এমবিবিএস আসন। একলপ্তে এত আসন এর আগে কখনও চালু হয়নি দেশে। পশ্চিমবঙ্গে এর মধ্যে রয়েছে অন্তত ৮০০ আসন। আগামী শিক্ষাবর্ষে রাজ্যে এমবিবিএস আসন সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ছ’হাজার ছুঁইছুঁই। দেশে সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১ লক্ষ ১৮ হাজার প্রায়। বাংলায় এই মুহূর্তে ২৯টি সরকারি ও ৭টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। কিন্তু আগামী শিক্ষাবর্ষে এই সংখ্যাটাই বেড়ে দাঁড়াবে যথাক্রমে ৩০ ও ১৪।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *