খবর লাইভ : উত্তরবঙ্গের রাঙাপানি স্টেশনের কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে প্রায় ১০ ঘণ্টা ৷ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে ১৫ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে ৷ আহতের সংখ্যা প্রায় ৬০ জন ৷ তাঁদের মধ্যে ২০ জন গুরুতর আহত ৷ মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের পৌঁছনোর আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁর মন্তব্যা, ‘‘এটা রাজনীতি করার সময় নয়৷ কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত আমরা করব৷’’ জানা গিয়েছে, রেলমন্ত্রী প্রথমে দিল্লি থেকে বিমানযোগে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন৷ সেখান থেকে প্রথমে গাড়ি করে যান কিছুদূর৷ শেষের পথটুকু পেরতে স্থানীয় এক যুবকের বাইকে উঠে পড়েন তিনি৷ উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তিদের সঙ্গেও দেখা করে খোঁজখবর নেন অশ্বিনী বৈষ্ণব৷
আরও পড়ুনঃ রাজ্যের চার বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা বিজেপির
তিনি জানান, আপাতত উদ্ধারকাজ চলছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়েও নিজের মতামত দিয়েছেন রেলমন্ত্রী।সোমবার সকালে নির্ধারিত সময়েই রওনা দিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। নীচবাড়ি এবং রাঙাপানি স্টেশনের মাঝে দুর্ঘটনা ঘটে। পিছন দিক থেকে একটি মালগাড়ি এসে ওই ট্রেনে ধাক্কা মারে বলে খবর। সংঘর্ষের তীব্রতায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছন দিক থেকে পর পর দু’টি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পাশে ছিটকে পড়ে।
বিকেলে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, আর কোনও যাত্রী ধ্বংসস্তূপে আটকে নেই। লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল শুরু করানো হবে।কয়েক বছর আগে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রেলের ‘সুরক্ষাকবচ’-এর কথা ঘোষণা করেছিলেন। রেলের তরফে বলা হয়েছিল, এই প্রযুক্তি মুখোমুখি রেল দুর্ঘটনাকে রুখে দেবে। কিন্তু গত বছর করমণ্ডল এবং এ বার কাঞ্চনজঙ্ঘার দুর্ঘটনা সেই ‘কবচ’কেই কঠিন প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।




