খবর লাইভ : লোকসভা নির্বাচন মিটেছে দিন পনেরো হয়নি। এর মধ্যেই রাজ্যের ফের বিধানসভা উপনির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ, মানিকতলা এবং বাগদা এই চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই অন্যান্য দলের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হল।
গত বিধানসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ এবং রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন যথাক্রমে কৃষ্ণ কল্যাণী এবং মুকুটমণি অধিকারী। দুই কেন্দ্র থেকেই পদ্ম চিহ্নে জিতেছিলেন দু’জনেই। তবে, বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন কৃষ্ণ কল্যাণী। অন্যদিকে, রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে এবারও প্রার্থী করা হয় জগন্নাথ সরকারকে। নির্বাচনের আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। তাঁকে তৃণমূলের তরফে লোকসভায় প্রার্থী করা হলেও তিনি জগন্নাথ সরকারের কাছে পরাজিত হন। তাঁকে ফের নিজ কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য পাঠাল তৃণমূল কংগ্রেস।
অন্যদিকে, মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে দীর্ঘদিন বাদে উপনির্বাচন হতে চলেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। তাঁর মৃত্যুর পর এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। যদিও, এই কেন্দ্রের নির্বাচন নিয়ে মামলা চলার কারণে উপনির্বাচন সংগঠিত করা হয়নি। সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হলেন সাধন জায়া।
বাগদা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। তিনিও বিজেপির টিকিটে জিতে পরবর্তীকালে তৃণমূলে যোগদান করেন। তিনি বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হলেও বিজেপির শান্তনু ঠাকুরের কাছে পরাজিত হন। যদিও, তাঁকে এবার বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী না করে ঠাকুরবাড়ির সদস্য মধুপর্ণা ঠাকুরকে প্রার্থী করা হল। মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষকেই এই কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিল শাসক দল। যদিও, এই কেন্দ্রগুলিতে অন্যান্য দলের তরফে এখনও কোনও প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করা হয়নি।




