International National Special News Special Reports

কুয়েতের অগ্নিকাণ্ডে মৃত ভারতীয়দের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্টের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

0
(0)

খবর লাইভ : কুয়েতের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৪২ জনই ভারতীয়। বেশিরভাগ দেহই এমনভাবে পুড়েছে যে তাদের শনাক্ত করাই যাচ্ছে না। এই অবস্থায় নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয়দের দেহ ফিরিয়ে আনার জন্য বায়ুসেনার একটি বিমানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিহত ভারতীয়দের দেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশে কুয়েতে পৌঁছে গিয়েছেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং।

আরও পড়ুনঃ রেশন দুর্নীতি মামলায় ঋতুপর্ণার সঙ্গে ইডির নজরে আরও ৫০ !
বুধবার ভোরের দিকে কুয়েতের রাজধানী শহরের দক্ষিণে মাঙ্গাফ এলাকার একটি বহুতল আবাসনে আগুন লাগে। জানা যায়, ওই আবাসনে মূলত থাকেন শ্রমিকেরা, যাঁদের অধিকাংশই ভারতীয়। প্রথমে জানা গিয়েছিল, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে প্রায় ৫০ জনকে। তবে কী কারণে আগুন লাগল, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। কুয়েতের কিছু স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গ্যাস লিক হওয়ার কারণেই এই বিপর্যয়। সরকারি ভাবে অবশ্য এই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী ফাহাদ ইউসুফ আল সাবাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তদন্তের নির্দেশ দেন। বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যে বহুতলে আগুন লেগেছে তাতে অন্তত ২০০ জন ছিল। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছিল, গ্যাস লিক করে এই অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘরের কাজের লোকদের আস্তানা ছিল এই বাড়িটি। সেখানে বহু গৃহস্থ কর্মী থাকতেন। অনেকের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে। মৃতদের মধ্যে ভারত ছাড়াও মিশর, পাকিস্তান, নেপালের বাসিন্দা আছেন। ভারতীয়দের মধ্যে অধিকাংশ কেরল, তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *