Special News Special Reports State

বিভ্রান্ত চাকরিপ্রার্থীরা, দাবি পাল্টা দাবিতে কুণাল-বিকাশ তরজা তুঙ্গে

0
(0)

খবর লাইভ : মামলা করে আটকে দেওয়া হচ্ছে নিয়োগ। এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্য তৃণমূলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। শনিবার এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘রেকমেন্ডেশন পেয়ে যাওয়ার পরেও চাকরি দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, এমন এক জনের নামে মামলা করা হয়েছে যাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। চাকরি তো হয়ে গিয়েছে কিন্তু কাজে যোগ দিতে পারছিলেন না।’’ কুণাল আরও বলেন, ‘‘কিছু আইনজীবী চাকরিপ্রার্থীদের সর্বনাশ করেছেন। আমি ধর্না মঞ্চে গেলে ডেপুটেশন দেয়। সেই ডেপুটেশন আমি দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হোয়াস্‌অ্যাপে পাঠিয়ে দিই। আন্দোলনকারীদের প্রত্যেকের চাকরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কিছু আইনজীবী মামলা করে নিয়োগ আটকে দিচ্ছেন। কোর্টের স্থগিতাদেশ না উঠলে নিয়োগ সম্ভব নয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী চান, সবাই চাকরি পান।’’

আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের উৎস সংক্রান্ত মামলার শুনানি, কেন জানেন?
নাম না করে নিশানা করেছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এসব বলার পর সন্ধেবেলাই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পালটা জবাব দিলেন তিনি। দুঁদে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর সাফ কথা,  ”চাকরিপ্রার্থীদের কোনও ভবিষ্যৎ নেই যতদিন না বেআইনি নিয়োগ বাতিল হচ্ছে।” তাঁর ব্যাখ্য়া, সরকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সুপার নিউমেরিক পোস্ট বা অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করেছে এবং দাবি করেছে, সব চাকরি থাকবে। নীতি অনুযায়ী তা হয় না। সেই কারণেই নতুন নিয়োগ নিয়ে জট তৈরি হয়েছে।
২০১৬ সালে উত্তীর্ণ কর্মশিক্ষা, শারীরশিক্ষা চাকরিপ্রার্থীরা শেষ ধাপে এসেও চাকরি পাননি এখনও। যোগ্য প্রার্থীদের জন্য সুপারিশপত্র তৈরি হলেও নিয়োগ হয়নি। তার সুরাহা চেয়ে শনিবার দুপুরে তাঁদের ১৬ জন প্রতিনিধি দেখা করেন কুণাল ঘোষের সঙ্গে। আলোচনা হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। এর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ নিয়োগ জটিলতার জন্য নাম না করে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে দায়ী করেন। চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ন্যায্য চাকরির জন্য আইনি লড়াইয়ে তাঁরা বিকাশবাবুর আপ্তসহায়ককে ২৭ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু তার পরও চাকরি পাচ্ছেন না।

বিকাশরঞ্জনবাবুর পালটা দাবি, যদি অ্যাসিস্ট্যান্টকে টাকা দিয়ে থাকেন, তাহলে তার নথি দেখান। কারণ, তিনি চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে মামলা লড়েন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এটাই তাঁর দাবি। আর তাই ২৭ লক্ষ টাকা নেওয়ার দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তাঁর কটাক্ষ, ”এখন বাজারে একটা কথা খুব শোনা যাচ্ছে – বিকাশবাবুর অ্যাসিস্ট্যান্ট। তো কোন অ্যাসিস্ট্যান্ট টাকা নিয়েছেন, তার নথি দেখান গিয়ে।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *