খবর লাইভ : ভাসছে গোটা উত্তর ও উত্তর পূর্ব ভারত। বৃষ্টির পরিমাণ যত বাড়ছে, ততই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। চরম অবস্থা হিমাচল প্রদেশে। সে রাজ্যের সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ভারী বৃষ্টির জেরে ধস ও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে এখনও অবধি ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯২ জন। এখনই বৃষ্টি থামার কোনও ইঙ্গিত নেই। আগামী তিন-চারদিনও উত্তর ভারত জুড়ে ভারী বৃষ্টি জারি থাকবে বলেই জানানো হয়েছে মৌসম ভবনের তরফে। ভারী বৃষ্টিতে ভেঙে গিয়েছে রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেতু। প্রায় ১০৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
হিমাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টিতে কমপক্ষে ৭৯টি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে। আংশিক ভেঙে গিয়েছে ৩৩৩ বাড়ি। রাজ্যের ৪১টি জায়গায় ধস নেমেছে। মেঘভাঙা বৃষ্টিও নেমেছে এক জায়গায়। অতিরিক্ত বৃষ্টির জেরে হড়পা বান নেমেছে কমপক্ষে ২৯টি জায়গায়। বিপাশা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ছোট-বড় নদীরই জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে।
আরও পড়ুনঃ ব্রাজিলের নতুন রোনাল্ডো সাত বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায়!
হিমাচলের মতোই পরিস্থিতি উত্তরাখণ্ডেও।ভূমিধসের কারণে বদ্রীনাথ জাতীয় সড়ক-সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ। যার প্রভাব পড়েছে চামোলি এবং জোশীমঠের জনজীবনে। চারধামের তীর্থযাত্রীদেরও চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের যমুনোত্রী জাতীয় সড়ক এবং গঙ্গোত্রী জাতীয় সড়কের কাছাকাছি এলাকায় ভূমিধসের কারণে ৩০০ টিরও রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে প়ড়েছে।
ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে ভেসে গিয়েছে হিমাচলপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। বিভিন্ন জেলায় রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও।
মঙ্গলবারও জারি ছিল ভারী বৃষ্টি। গত ২৪ ঘণ্টাতেই ধসে চাপা পড়ে ৯ জন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩ জন। লাগাতার বৃষ্টির জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে জাতীয় সড়ক সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এর প্রভাব পড়েছে চার ধাম যাত্রাতেও।অন্য়দিকে, পঞ্জাবেও ভারী বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। হরিয়ানায় টানা বৃষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। দিল্লিতেও ভারী বৃষ্টিতে দেওয়াল ধসে ও গাছ পড়ে কমপক্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।



