খবর লাইভ : বাংলায় এসেছে বিজেপির তথ্যানুসন্ধান দল। পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যের কোথায় কেমন ‘সন্ত্রাস’ হয়েছে, তা বুঝতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা চার সদস্যের এই তথ্যানুসন্ধান দল তৈরি করেছিলেন। বুধবার তাঁরা কলকাতায় পৌঁছেছেন। দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় ঘুরে তাঁরা বৃহস্পতিবার যাবেন উত্তরবঙ্গে।বিজেপির তথ্যানুসন্ধান কমিটিতে রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, বিজেপি সাংসদ তথা মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার সত্যপাল সিংহ, বিজেপি সাংসদ রাজদীপ রায়, বিজেপির জাতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ রেখা বর্মা।
কলকাতায় এসে সল্টলেকে বিজেপির অফিস থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন তাঁরা। সেখান থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। মমতার সরকারকে ‘গণতন্ত্রের লজ্জা’ বলে অভিহিত করেছেন বিজেপির প্রতিনিধিরা।রবিশঙ্কর বলেন, ‘‘রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের উপর আমাদের আস্থা নেই। মমতা তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। কমিশন তাঁর হয়েই কাজ করেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও বাংলায় সন্ত্রাস হয়েছে। বিহার বা উত্তরপ্রদেশের ভোটে তো এত অশান্তি দেখা যায় না। বাংলায় প্রতি ভোটে একই রকম ছবি কেন উঠে আসে?’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘মমতা লড়াই করে ৩৪ বছরের বাম সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু এখন তিনি যে স্বার্থান্বেষী রাজনীতি করছেন, তা বাম রাজনীতির চেয়েও নোংরা হয়ে উঠেছে। পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ৪৫ জন মারা গিয়েছেন এই রাজ্যে। এমনকি, গণনার দিনও অশান্তি হয়েছে। আমি বাংলার মানুষকে আশ্বাস দিচ্ছি, বিজেপি লড়াই করবে।’’
আরও পড়ুনঃ কুৎসার জবাব: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের বিপুল সাফল্যে বার্তা অভিষেকের
রাজ্যের সমস্ত বিজেপি কর্মীদের পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন রবিশঙ্কর। বাংলার অশান্তি নিয়ে বিরোধীরা যত বার প্রশ্ন তুলেছে, তৃণমূল টেনে এনেছে মণিপুরের দৃষ্টান্ত। বুধবার সেই মণিপুর নিয়েও মুখ খুলেছেন রবিশঙ্কর। তিনি জানান, মণিপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গিয়ে থেকে এসেছেন। সেনাপ্রধানও গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য সর্বদলীয় বৈঠক হয়েছে। গণতান্ত্রিক উপায়ে যা যা করণীয়, তার সবটাই করেছে বিজেপি সরকার। প্রয়োজনে মমতাও মণিপুরে তাঁর প্রতিনিধি দল পাঠাতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি।




