খবর লাইভ : কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আগেই চাকরি গিয়েছিল। তারপর সম্প্রতি আবারও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ববিতা সরকার। তবে চাকরি ফিরে পাওয়ার আশায় সবরকম চেষ্টা করছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবারই ববিতা একাদশ ও দ্বাদশের ওএমআর শিট প্রকাশের আবেদন জানিয়েছিলেন হাইকোর্টে। আর ববিতার সেই আবেদনে মান্যতা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম ও দশমের ওএমআর শিট প্রকাশিত হয়েছে আগেই। শুক্রবার ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত হওয়া ৫ হাজার ৫০০ জনের ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর প্রকাশ করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন নিজের এলাকাতেই থাকতে হবে শুভেন্দুকে, নির্দেশ হাইকোর্টের
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বিস্তারিত মেধাতালিকা প্রকাশ চেয়ে মামলা করেন ববিতা সরকার। তাঁর দাবি, ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৫৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। নিয়োগ মামলার তদন্তে ৯০৭টি ওএমআর শিট উদ্ধার করে সিবিআই। তার মধ্যে ১৩৮ জন ছিলেন ওয়েটিং লিস্টে। ববিতার আবেদন, একাদশ-দ্বাদশের বিস্তারিত তথ্য-সহ প্যানেল প্রকাশ করা হোক। তাতে দেখা যাবে কোন প্রার্থী কীভাবে, কোথায় চাকরি পেয়েছেন। এক্ষেত্রে যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম ২০ জনের মধ্যে কোনও নিয়োগে গরমিল থাকে, সেক্ষেত্রে ববিতার আবারও চাকরির সুযোগ আসতে পারে। তাই প্যানেল প্রকাশ করার আবেদন জানান তিনি।
শুক্রবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসেই ববিতার মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানিতে ববিতার আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান, ২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে সাড়ে ৫ হাজার জন চাকরি পেয়েছিলেন। পরে এই নিয়োগের তদন্তে সিবিআই জানিয়েছিল, ৯০৭টি উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটে কারচুপি হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই চাকরি করছেন। এদিন হাইকোর্ট আরও জানায়, ২০১৬ সালের প্যানেলভুক্ত ও ওয়েটিং লিস্টে থাকা সব চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। তার জন্য সময়ও বেঁধে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তবে এই ওএমআর শিট প্রকাশ পেলেও ববিতা চাকরি পাবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।


