Special News Special Reports State

ধর্মের নামে গুণ্ডামি, শিবপুরের অশান্তিতে অভিষেকের নিশানায় বিজেপি

0
(0)

খবর লাইভ : কোনও গাইডলাইন অনুসরণ করা হয়নি। পুলিশের অনুমতি না মেনেই মিছিল করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবেই অশান্তি তৈরি করতে হাওড়ায় দু’টি মিছিল করে গুণ্ডামি করা হয়েছে। হাওড়ায় হিংসার ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি-কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি এদিন বলেন, “ডিজে বাজিয়ে, কোমরে বন্দুক গুঁজে মিছিল হচ্ছে? এ কেমন রামনবমী পালন করা হচ্ছে?” ঘুরপথে এই হিংসার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দায়ী করেছেন অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ আজ ফের অশান্ত হাওড়া-শিবপুর, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি

সাংবাদিক বৈঠকে এদিন রামনবমীর দিন মিছিল পালনের জন্য বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি চিঠি এবং পালটা পুলিশের গাইডলাইন নিয়ে একটি নির্দেশিকা দেখান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ভগবান রামচন্দ্র তো শক্তি-সংযম-ত্যাগের প্রতীক। তাঁর পুজোতে ডিজে বাজানো হচ্ছে কেন? কোমরে বন্দুর ঝুলিয়ে শোভাযাত্রা কেন করা হচ্ছে? এ কেমন রামনবমী পালিত হচ্ছে বাংলায়?”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “রামনবমীর নামে শোভাযাত্রাতে গুণ্ডামি করা হয়েছে। এলাকার সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলওয়ালার ঠেলায় জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। উগ্রভাবে ডিজে বাজানো হয়েছে। ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় এসেছেন। কই সে সময় তো এমন হত না। ২০১৪ আর ২০১৬ সালেও রামনবমীর এমন শোভাযাত্রা হয়নি। রাজ্যটাকে এরা পৈতৃক সম্পত্তি ভেবে ফেলেছে। রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য রাজ্যের সৌহাদ্য ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।”
অভিষেকের কথায়, “ধর্মের নামে গুণ্ডামি-মস্তানি করলে তাকে কখনও ধর্মপ্রাণ বলা যায় না। এরা বাংলাটাকে জল্লাদের উল্লাস মঞ্চে পরিণত করেছে। আপনাদের হাত জোর করে অনুরোধ করছি কোনওরকম প্ররোচনায় পা দেবেন না। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কোনও সম্প্রদায়ের উৎসব পালন করার অধিকার রয়েছে কিন্তু, এই ভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে কোনও ধর্ম পালন হয় না। বাংলায় দুর্গাপুজো, দীপাবলি, বড়দিনের উৎসবে এমনটা দেখেছেন?”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *