খবর লাইভ : গুজরাট দাঙ্গা চলাকালীন বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ ও পরিবারের সদস্য খুনের ঘটনায় দোষীদের গতবছর মুক্তি দিয়েছে গুজরাট এবং কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নির্যাতিতা বিলকিস বানো। বিলকিসের আবেদনের শুনানিতে সম্মত হল শীর্ষ আদালত। ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আদৌ সঠিক কিনা, বিশেষ বেঞ্চ গড়ে তা পর্যালোচনা করে দেখতে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট।
সরকারের তরফে গণধর্ষণ ও খুনের অপরাধীদের মুক্তি ও মালা পরিয়ে জেলের বাইরে সম্বর্ধনা, ব্রাহ্মণ সন্তান হওয়ার সার্টিফিকেটে দেশজুড়ে বয়েছিল নিন্দার ঝড়। সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার আবেদন বুধবার গ্রহন করে সুপ্রিম কোর্ট। এপ্রসঙ্গে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী মাসেই এই মামলার সুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করা হবে।
উল্লেখ্য, বিলকিসের আইনজীবী শোভা গুপ্ত জানিয়েছেন, প্রথমে বিচারপতি অজয় রাস্তোগি এবং বিচারপতি বেলা এ ত্রিবেদীর বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। বিচারপতি রাস্তোগিই আগের বার ধর্ষকদের সাজা মকুবের বিষয়টি ভেবে দেখতে অনুমতি দিয়েছিলেন গুজরাত সরকারকে। ২০০৪ থেকে ২০০৬ সালে গুজরাত সরকারের আইন বিভাগের সচিব ছিলেন বিচারপতি ত্রিবেদী। তিনি বিলকিসের আবেদনের শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। সব মিলিয়ে চার বার বিষয়টি ধাক্কা খেয়েছে। তবে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় জানিয়েছেন, আজই বিষয়টি নিয়ে বসবেন। বিশেষ বেঞ্চ গড়বেন শুনানির জন্য। বিলকিসের আবেদনের শুনানিতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার বিশেষ বেঞ্চ গড়তে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট।




