খবর লাইভ : এবার সিবিআইয়ের উদ্ধার করা ওএমআর এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন গ্রুপ সির চাকরিহারারা। গ্রুপ-সি মামলার চাকরি হারানো ৮৪২ জনের একাংশ এই মামলা করেছেন। মামলাকারীদের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন, “মন্ত্রী -আধিকারিকরা জেলে আছেন। আমাদেরও জেলে পাঠিয়ে দিন, উপোস করতে হবে না। ওখানে তো খাবার দেয়।এই ওএমআর যে আমাদের ওএমআর সেটা কে নিশ্চিত করল? এখন তো বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই ধরনের নথি বিকৃত করা যায়। আমাদের ওএমআর যে বিকৃত করা হয়নি তার নিশ্চয়তা কোথায়? – প্রশ্ন চাকরিহারাদের। এই ওএমআর গুলি তো এনওয়াইএসআই-এর অফিস থেকে উদ্ধার হয়নি, এগুলি তো তাদের এক প্রাক্তন কর্মীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে। এর যথার্থতা কে মূল্যায়ন করল ? – ডিভিশন বেঞ্চের কাছে প্রশ্ন চাকরিহারাদের।
আরও পড়ুনঃ আইএসএল-এর সেরা একাদশ ঘোষণা, দলে মোহনবাগানের দুই ফুটবলার
এদিন শুনানি চলাকালীন ঠাট্টার ছলে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বলেন, এই মামলার নথির যা ওজন তাতে দেহের ওপরের অংশের জন্য আলাদা করে কোনও ব্যায়াম করতে হবে না। বাইসেপ – ট্রাইসেপ, কাঁধের ব্যায়াম এমনিতেই হয়ে যাবে। একটু হাঁটাহাঁটি করলে পায়ের ব্যায়ামটা হয়ে যাবে। আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, এই ডিভিশন বেঞ্চ তার রায়ে জানিয়েছিল যে এটা একটা পাবলিক স্ক্যাম। আদালতের এই নির্দেশ কোথাও চ্যালেঞ্জ হয়নি। কেউ এগিয়ে এসে বলেননি যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গলদ ছিল। আদালতের চাপে সব তথ্য বাইরে আসছে।
তিনি আরও বলেন, মামলাকারীরা প্রশ্ন তুলছেন যে আপনারা যে ওএমআর আপলোড করেছেন সেগুলি jpg ফরম্যাটে আছে, যেগুলি বিকৃত করা সম্ভব। এ বিষয়ে আপনাদের কি বলার আছে? সিবিআইয়ের দেওয়া রেকর্ড আপনারা কিসের ভিত্তিতে গ্রহণ করলেন? এই মর্মে কমিশনকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি তালুকদার।আদালতে স্কুল সার্ভিস কমিশন জানায়, নথি সবসময়ই বিকৃত করা সম্ভব, কিন্ত প্রশ্ন হল সেটা করা হয়েছে কিনা? সিবিআই আমাদের যে নথি দিয়েছে সেটা আমরা খতিয়ে দেখে তারপর আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যা ভুল আগে হয়েছে সেটা আমরা সংশোধন করার চেষ্টা করছি।আদালত এই মামলায় সিবিআইকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে।




