খবর লাইভ : ডিএ আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে শনিবার সাত সকালে এই আইএসএফ বিধায়ক পৌঁছে যান ধর্মতলার অনশনমঞ্চে। আন্দোলনকারীদের দাবির সমর্থনে নিজেও অনশন শুরু করেন ভাঙড়ের বিধায়ক।
তাঁর দাবি, সরকারি কর্মচারীদের কেন্দ্রীয়হারে ডিএ দিতে হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে এদিন বার্তা দিয়েছেন নওশাদ। সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনমঞ্চে নওশাদ সিদ্দিকির যোগদান যথেষ্টই রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ।
আরও পড়ুনঃ তদন্ত থেকে বাঁচতে তারাপীঠে যজ্ঞ করতেন কুন্তল !
সেই মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার সময় আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে আচমকা ধাক্কা মারলেন এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম আবদুল সালাম। এদিন নওসাদ বক্তৃতা দেওয়ার সময় তাঁর সামনের দিকে এগিয়ে আসে ওই যুবক। মাইক হাতে তখন কথা বলছিলেন নওশাদ। এরপর তিনি নওসাদের উদ্দেশে জিজ্ঞাসা করে বলেন, আপনি সংখ্যালঘুদের জন্য কী করেছেন? জবাবের অপেক্ষা না করেই বিধায়ককে ধাক্কা দেন ওই যুবক। এর পর অবশ্য পরিস্থিতি সামলে নিতে এগিয়ে আসেন মঞ্চে উপস্থিত কয়েক জন। ওই যুবক হাওড়ার ডোমজুড় থানা এলাকার বাকরা পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা। এখনও পর্যন্ত ওই যুবকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় ময়দান থানার পুলিশ তাকে আটক করেছে। এই ঘটনার জেরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে।
এদিন দুপুরে তিনি বক্তৃতা দেওয়ার সময় সামনের দিকে উঠে আসে ওই যুবক। নওশাদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়েই ধাক্কা দেয় যুবক। মঞ্চে উপস্থিত থাকা আন্দোলনকারীরা এগিয়ে আসে তার দিকে। তারপর তাকে ধরে মঞ্চ থেকে নীচে নামিয়ে দেওয়া হয়। বারবার মাইকে নওশাদ বলতে থাকেন, ওকে কিছু করবেন না।
কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে দুই মাসের ওপরে কলকাতার ধর্মতলায় অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। পরে সেই আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে অনশন শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তা ৫০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। শনিবার সকাল ৬টা নাগাদ ধর্মতলার আন্দোলনমঞ্চে যোগ দেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নওশাদ জানান, তিনি ঠিক করেছিলেন যে একদিন ডিএ আন্দোলনকারীদের অনশন মঞ্চে যোগ দেবেন। সেইমতো শনিবার সকালেই সেখানে পৌঁছে যান। এবং সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তিনি নির্জলা উপবাস করবেন বলে জানিয়েছেন। ডিএ যদি না পাওয়া যায়, তাহলে এই আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়বে। সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করছে তৃণমূল।




