খবর লাইভ : শুক্রবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাত নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে সৌজন্যের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। শনিবার ঘটনাপ্রবাহে নতুন মোড়। ঠাকুরনগরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ঠাকুরনগরে শনিবার সিএএ ও এনআরসি-র সমর্থনে বিজেপির তরফে সভা আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভা থেকে সিএএ -র হয়ে জোরালো সওয়াল করার পাশাপাশি বিরোধিতার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।
শুভেন্দু বলেন, ” সিএএ -র বিরোধিতার নামে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। আমি বারবার এই আইনের হয়েও সওয়াল করেছি। সংসদেও এই আইন পাস হয়েছে। কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কথা আইনে লেখা নেই। আগামী দিনে এই রাজ্যেও সিএএ চালু হবে। আপনারা শুভেন্দু অধিকারী, শান্তনু ঠাকুরের ওপরে ভরসা রাখুন। সিএএ কার্যকর হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি ব্যক্তিগতভাবে এনআরসি চাই, জন্ম নিয়ন্ত্রণ চাই। এই দেশকে বাঁচাতেই হবে।”
এদিন মমতাকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “আমি শুধু সংসদীয় রাজনীতির সৌজন্যতা দেখিয়েছি। আমার অফিসে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি এসে জানান, উনি আমাকে ডাকছেন। আমি জানিয়ে দিয়েছিলাম যে আমি একা যাব না, আমার সঙ্গে আরও বিজেপি বিধায়করা যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পরিবারতন্ত্র ও তোষণের রাজনীতি করেন, নরেন্দ্র মোদি বিকাশের রাজনীতি করেন। সবাইকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছি। সিএএ বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করার কাজটাও এই শুভেন্দু করে দেখাবে।”




