খবর লাইভ : ডিসেম্বর ডেডলাইন নিয়ে ফের হুঙ্কার শুভেন্দু অধিকারীর। রাজ্যে বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘বিধায়ক ভাঙিয়ে সরকার করব না, ভোটে জিতে সরকার করব’। পাশাপাশি তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘ডিসেম্বরে রাজ্যের সবথেকে বড় চোর ধরা পড়বে।’ বৃহস্পতিবার ‘হার্মাদ মুক্ত দিবস’কে সামনে রেখে খেজুরিতে মিছিল করেন শুভেন্দু। সেই মঞ্চ থেকেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগকে সামনে রেখে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, ‘দেশদ্রোহীরা সাবধান, এনআইএ এখনও বেঁচে আছে’।
বৃহস্পতিবার খেজুরিতে মিছিল করেন শুভেন্দু। সম্প্রতি এখানে এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, খেজুরিতে কে এক জন শেখ ইয়াসিন ঘোলাবাড়ের বিজেপি কর্মী সুরজকে মেরেছে। পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছি, যদি উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেন আমি ১ তারিখে খেজুরিতে আসছি। বুঝিয়ে দেব শুভেন্দু কে। আরে এনআইএ তো সবে শুরু করেছে কাজ। এর পর শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, ‘‘মাননীয় ইয়াসিনবাবু, আপনার যা যা ওষুধ লাগবে ডাক্তারবাবু সব জানে। আমি এই দায়িত্বটা নিলাম।’’
গত ৩ জানুয়ারি পশ্চিম ভাঙনমারি গ্রামে কঙ্কন করণ নামে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।বোমা বাঁধতে গিয়েই এই বিস্ফোরণ হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। এর পর স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক তা নিয়ে এনআইএ তদন্তের দাবি তোলেন। তিনি বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে লিখিত আবেদনও করেন। এর পর ওই বিস্ফোরণ-কাণ্ডের তদন্তভার নেয় এনআইএ।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের এই দিনেই খেজুরি থেকে সিপিএমকে ‘উৎখাত’ করেছিল তৃণমূল। সেই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দু। তার পর থেকেই প্রতি বছর এই দিনে খেজুরিতে ‘হার্মাদ মুক্ত দিবস’ পালন করেন শুভেন্দু।




