Special News Special Reports State

মর্মান্তিক! ভাইঝির পারিবারিক বিবাদ মেটাতে গিয়ে মৃত্যু কাকার, উত্তপ্ত বজবজ

0
(0)

খবর লাইভ : ভাইঝির পারিবারিক বিবাদ মেটাতে গিয়ে মৃত্যু কাকার। ভাইঝির বাড়ির ঝামেলা মেটাতে গিয়ে চরম রোষানলে পড়েন কাকা। তারপর ভাইঝির শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের হাতে মার খেয়ে কাকার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম মহম্মদ আশফাক আলম, বয়স ৪৭ বছর। পরিবার সূত্রে খবর, আড়াই বছর আগে বজবজ পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাম রসুল রোডের বাসিন্দা মহম্মদ ইসলামের মেয়ে সাগুপ্তা খাতুন-এর সঙ্গে পাশের গ্রামের মহম্মদ জামিলের ছেলে নাবিল জামিল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই সাগুপ্তার পরিবারে শুরু হয় অশান্তি। পারিবারিক অশান্তির জেরে মাঝে সাঝেই স্বাগুপ্তা তাঁর নিজের বাড়িতে এসে থাকতে শুরু করে এবং সে স্বামীর ঘরে ফিরে যেতে অস্বীকার করে। স্বাগুপ্তার বাবা কর্মসূত্রে বাইরে থাকায় বিষয়টি মিটমাটের উদ্দেশে কাকা মহম্মদ আশফাক আলম নাবিলের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানতে চায়।

অভিযোগ, সাগুপ্তার কাকা নাবিলের বাড়িতে গেলেই অশান্তি তীব্র আকার নেয়। নাবিলের পরিবারের লোকেরা সাগুপ্তার কাকা আশফাক আলমকে বেধরক মারধর করে। এরপর বেধড়ক মার খেয়ে গুরুতর জখম অবস্থায় আশরাফকে প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম এবং পরে তাঁকে এনআরএসএ স্থানান্তরিত করা হয়। এদিকে শনিবার ভোররাতে এনআরএসে মৃত্যু হয় আশফাকের। মৃত্যুর খবর শোনা মাত্রই স্বাগুপ্তার পরিবারের লোকেরা প্রতিবেশী নাবিলের বাড়িতে চড়াও হয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বজবজ থানার পুলিশ।

এদিকে আশফাকের মৃত্যুর পর খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনায় নাবিলের পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করে বজবজ থানায় নিয়ে যায়। ইতিমধ্যে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করছে পুলিশ। যদিও পরিবারের বাকি সদস্যরা পলাতক। আপাতত এলাকা থমথমে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *